পাউবোর প্রধান প্রকৌশলীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:২২ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০২০

মনু নদীর সেচ প্রকল্পের আওতাধীন কাশিমপুর পাম্প হাউস পুনর্বাসন প্রকল্পের ৩৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রধান প্রকৌশলী চৌধুরী নজমুল আলম এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিগমা ইঞ্জিনিয়ার্সের এমডি-চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান বাদী হয়ে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় হবিগঞ্জে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- পাউবোর যান্ত্রিক সরঞ্জাম বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী চৌধুরী নজমুল আলম, পাউবোর পাবনা পওর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও সাবেক প্রকল্প পরিচালক এস এম শহিদুল ইসলাম, ঢাকা যান্ত্রিক (পাম্প হাউস) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনিছুর রহমান, ঢাকার কেন্দ্রীয় যান্ত্রিক সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু তালেব, ঢাকা যান্ত্রিক (পাম্প হাউজ) বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এম গোলাম সরওয়ার, পাউবোর নকশা সার্কেল-৩ (যান্ত্রিক) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্বাছ আলী, ডিজাইন সার্কেল-১ ঢাকার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আব্দুল বাছিত ও চাঁদপুর যান্ত্রিক উপ-বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. রুহুল আমিন, সিগমা ইঞ্জিনিয়ারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সৈয়দ আরশেদ রেজা ও জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. আব্দুস সালাম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে একে অপরের সহায়তায় অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক অবৈধভাবে মনু নদীর সেচ প্রকল্পের আওতাধীন কাশিমপুর পাম্প হাউস পুনর্বাসন প্রকল্পের জন্য প্রকৃত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে পাম্প কিনে সরকারের ৩৪ কোটি ৪২ লাখ ১৭ হাজার ২৯৬ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তারা দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। ২০১৯ সালে এই অভিযোগটি অনুসন্ধান শুরু করা হয়।

এমইউ/এমএসএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]