গরিব সামাল দিতে পারছে, মধ্যবিত্ত দিশাহারা

সায়েম সাবু
সায়েম সাবু সায়েম সাবু , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৪৭ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০২০
ফাইল ছবি।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে গরিব মানুষ কিছুটা সামাল দিতে পারলেও মধ্যবিত্তরা দিশাহারা বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক এমএম আকাশ।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেন এমএম আকাশ।

তিনি বলেন, বাজারে যা ঘটছে, তা অস্বাভাবিক। বাজারে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই, তা সহজেই অনুমান করা যায়। আলুর দাম ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা হলে তা স্বাভাবিক হয় না। এটি বিশেষ সিন্ডিকেটের কারসাজি। এখানে সরকার নজর দিতে পারছে না। ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, সরকার কৌশলী অবস্থান নিয়েছে। গত বছরের তুলনায় খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন বেড়েছে দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ। আর জনসংখ্যা বেড়েছে এক দশমিক ছয় শতাংশ। সঙ্গত কারণে খাদ্যের জোগানে ঘাটতি হওয়ার কথা।

কিন্তু চালের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণের অবস্থান স্পষ্ট হচ্ছে না। শাক-সবজির তুলনায় চালের দাম তুলনামূলক কম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে সরকারের বিরুদ্ধে মানুষ মাঠে নামছে না।

তিনি বলেন, সাদাভাতের খরচ বাড়লে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে গরিব মানুষ। সাধারণ মানুষ সাদাভাতের ওপরই জীবনযাপন করে। পুষ্টি বা মাছ-মাংসের ওপর তাদের নির্ভরতা কম। এ কারণে শাক-সবজির দাম বাড়লেও গরিব মানুষের ওপর কম প্রভাব পড়ে।

এমএম আকাশ বলেন, মধ্যবিত্তরা এসব পণ্যের দাম বাড়লে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েন। তারা দিশাহারা হয়ে পড়েন। কারণ তাদের আয় ফিক্সড (নির্ধারিত)। বাজারের এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মধ্যবিত্তরা।

এএসএস/বিএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]