স্কুলের বেতন পরিশোধে অভিভাবকদের চাপ না দেয়ার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৩২ পিএম, ২৬ অক্টোবর ২০২০

শিক্ষার্থীদের বেতন ও অন্যান্য ফি পরিশোধে অভিভাবকদের কোন ধরনের চাপ না দেয়ার জন্য মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

তিনি বলেন, বেতন ও অন্যান্য ফি পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা হতে বিরত রাখা যাবে না, প্রমোশন আটকানো যাবে না।

সোমবার রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে অবস্থিত মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ নির্দেশনা দেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদ হোসেন, কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য ও অভিভাবকরা।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনার প্রভাবে আর্থিক সঙ্কটের কারণে যে সমস্ত অভিভাবক শিক্ষকদের বেতন ও ফি পরিশোধ অক্ষম তারা ব্যক্তিগতভাবে কলেজ কর্তৃপক্ষ বরাবর দরখাস্ত করলে সেটি বিবেচনা করা হবে। অভিভাবকদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় প্রয়োজনে শতভাগ পর্যন্ত বেতন মওকুফ করা হবে। তবে যে সমস্ত অভিভাবক আর্থিকভাবে স্বচ্ছল তাদের দরখাস্ত করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যে সমস্ত শিক্ষার্থীদের বাসায় তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ নেই, তাদের জন্য পর্যায়ক্রমে ল্যাপটপ প্রদানের বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনাধীন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় জনগণের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভূমিকা রাখছে। তিনি শিক্ষার্থী, অভিভাবক-শিক্ষকদের মাঝে সমন্বয় ও পারস্পরিক যোগাযোগ রেখে করোনাকালে স্কুল ও কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়, এমন আচরণ ও কাজ থেকে বিরত থাকা এবং কারও প্ররোচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পদ বিনষ্ট করা ও অস্থিরতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের যে সব শিক্ষক প্রাইভেট পড়ান বা শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা ফি-তে বাড়তি ক্লাস নেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এসআই/জেএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]