রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফ্রেশ ফুড কর্নার পুনরায় চালু

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৩:৩৫ পিএম, ২৮ অক্টোবর ২০২০

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ফ্রেশ ফুড কর্নারগুলো আবারও চালু করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এর ফলে, কোভিড-১৯ প্রতিরোধের ব্যবস্থা হিসেবে বেশ কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর এখানে ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম আবারও শুরু হলো।

এই ফ্রেশ ফুড কর্নারগুলো কক্সবাজারের স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সুযোগ, যার মাধ্যমে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী উভয়ই উপকৃত হচ্ছে। ডব্লিউএফপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, এ ফ্রেশ ফুড কর্নারগুলো ফার্মার্স মার্কেট উদ্যোগের একটি অংশ, যেখানে স্থানীয় ক্ষুদ্র কৃষক ও ব্যবসায়ীরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডব্লিউএফপির ই-ভাউচার আউটলেট ও ফার্মার্স মার্কেটে তাদের পণ্যসামগ্রী বিক্রি করতে পারেন। সেখান থেকে রোহিঙ্গা পরিবারগুলো ডব্লিউএফপির অ্যাসিস্ট্যান্ট কার্ডের মাধ্যমে নানারকম খাবার কিনতে পারেন। এরপর ডব্লিউএফপি সেই অর্থ সরাসরি কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেয়।

বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর রিচার্ড রেগান বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে মানবিক সহায়তার ফলে যে দ্বিমুখী উপকার হয়, সেটাই পরিলক্ষিত হয়। স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে তাদেরকে সহায়তা করা এবং সামাজিক সংহতি বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পেরে ডব্লিউএফপি গর্বিত।

তিনি আরও বলেন, ডব্লিউএফপির পরিকল্পনা আছে এই উদ্যোগকে আরও সম্প্রসারিত করার, যেন আরও স্থানীয় কৃষক ও খুচরা বিক্রেতা এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে।

মহামারির কারণে ফার্মার্স মার্কেট বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত এখানে লেনদেনের মাধ্যমে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ১২ জন ক্ষুদ্র কৃষক ও ব্যবসায়ীর হাতে প্রতি মাসে প্রায় ৪৭ হাজার মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থ পৌঁছাতো। ৪টি মার্কেট এখন আবারও চালু হয়েছে, যেগুলোতে সমন্বিত মাসিক লেনদেনের পরিমাণ এক লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি।

২০২১ সালের মে মাসের মধ্যে, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৩০ শতাংশ মানুষ এই ফার্মার্স মার্কেট থেকে উপকৃত হবে বলে আশা করা যায়। যেখানে মাসিক লেনদেনের পরিমাণ হবে ৫ লাখ মার্কিন ডলার।

এমইউ/এফআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]