হালদায় মা মাছ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৮ পিএম, ৩০ অক্টোবর ২০২০

হালদায় মা মাছ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র চট্টগ্রামের হালদা নদী পরিদর্শনে এসে হালদা পাড়ের সত্তারঘাটে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্যজীবী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি একথা জানান।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘মৎস্য উৎপাদনের অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখার জন্য সবাই মিলে কাজ করতে হবে। কারণ, এ খাত আমাদের অর্থনীতির চাকাকে সচল করার সবচেয়ে বড় খাত হবে।’

দেশের মৎস্য উৎপাদনে হালদার ভূমিকা বিশাল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘স্মরণাতীতকালের সর্বোচ্চ মাছের পোনা এ বছর হালদায় উৎপন্ন হয়েছে। মাছের পোনা উৎপাদনে হালদায় অনেক প্রতিকূলতা আমরা অতিক্রম করেছি। এখানে শিল্প কলকারখানার বর্জ্য যাতে নির্গত না হয়, মৎস্য আহরণ বন্ধকালে অসাধু উপায়ে যাতে কেউ মা মাছ ধরতে না পারে এবং কোনোভাবেই হালদায় মাছের প্রজনন ক্ষেত্রে যাতে বিঘ্ন না হয়, নির্বিঘ্নে যাতে মা মাছ ডিম ছাড়তে পারে সে ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি।’

jagonews24

তিনি বলেন, ‘এ কার্যক্রম ঠিকভাবে চলছে কিনা সেটা সরেজমিনে দেখতে আমরা মাঠে নেমেছি। এখানকার জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ আমাদের সংশ্লিষ্ট দফতর-সংস্থা সবাই মিলে কাজ করছে। এজন্য হালদার অতীত ঐতিহ্য ইতোমধ্যে ফিরে এসেছে। আরও ভালো অবস্থানে আমরা যাবো।’

‘মৎস্যসম্পদকে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে। সারা পৃথিবীতে যেভাবে অর্থনৈতিক স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে, এই স্থবিরতা কাটিয়ে উঠার জন্য মৎস্য সম্পদই হবে আমাদের মূল সম্পদ। এ জন্য মাছের প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মৎস্য আহরণে বিরত থাকা সব মৎস্যজীবীদের আমরা ক্রমান্বয়ে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসব। যাতে একজন মৎস্যজীবীর খাদ্যের অভাবে কষ্ট না পায়। এটা চলমান প্রক্রিয়া।’

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ, মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদ, চট্টগ্রামের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা লাভলী, রাউজান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এহেছানুল হায়দর চৌধুরী, রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ রুহুল আমীন, স্থানীয় মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তা, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও মৎস্যজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরএমএম/জেএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]