দেখা মিলল হাজী সেলিমের

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৪৪ পিএম, ০৩ নভেম্বর ২০২০

ধানমন্ডির কলাবাগান এলাকায় নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় গত ২৬ অক্টোবর ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজী সেলিমের ছেলে ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর (সাময়িক বরখাস্ত) ইরফান সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে হাজী সেলিমের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, এমনকি তার দেখাও মেলেনি। অবশেষে এ ঘটনার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পর আজ জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে তার দেখা মিলেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে সেখানে হাজী সেলিমকে দেখা যায়। এ সময় তার বড় ছেলে সোলেমান সেলিমও উপস্থিত ছিলেন। ইরফান সেলিমের ওই ঘটনার পর থেকে আড়ালে ছিলেন সাংসদ হাজী সেলিম।

সকাল সোয়া ৯টার দিকে একটি সাদা এসইউভিতে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরোনো কারাগারে জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন তিনি। সকাল পৌনে ১০টার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

jagonews24

গাড়ি থেকে নেমে তিনি কারাগারের পুরোনো মালখানার কাছে দাঁড়ান। মন্ত্রীর ইশারা পেয়ে তার পাশে এগিয়ে যান ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন। এ সময় হাজী সেলিমও সালাম দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ান। পরে সবাই মিলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

গত ২৬ অক্টোবর রাতে সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও পরদিন ভোরে ইরফানসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা।

এ মামলায় ওইদিন দুপুরে ইরফানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এছাড়া পুরান ঢাকায় তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৩৮টি ওয়াকিটকি, পাঁচটি ভিপিএস সেট, গুলিসহ একটি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক, একটি ব্রিফকেস, একটি হ্যান্ডকাফ, একটি ড্রোন এবং সাত বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

বাসায় বিদেশি মদ ও অনুমোদনহীন ওয়াকিটকি রাখায় কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদকে এক বছর করে জেল দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রাতেই তাদের কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

এমএসএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]