ডিএনসিসির হাসপাতালে সপ্তাহব্যাপী মশকনিধন কার্যক্রম শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:০০ পিএম, ১৫ নভেম্বর ২০২০

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার কোভিড ও নন-কোভিড হাসপাতালগুলোতে অবস্থানরত রোগী, ডাক্তার, নার্স ও চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতদের ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে রোববার (১৫ নভেম্বর) থেকে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ মশকনিধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এছাড়া ডিএনসিসি এলাকার নার্সারিগুলোতেও বিশেষ মশকনিধন অভিযান শুরু হয়েছে।

রোববার প্রথম দিনে বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ঢাকা উত্তরের মোট ৪৬টি হাসপাতালের আঙিনায় এবং আশপাশে মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

হাসপাতালগুলোর মধ্যে রয়েছে উত্তরা অঞ্চলে (অঞ্চল-১) কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, আইচি হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল।

DNCC

মিরপুর-২ অঞ্চলে (অঞ্চল-২) ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, মিরপুর ১১; ওজিএসবি হাসপাতাল, মিরপুর ১৩; আল-শাফী হাসপাতাল, মিরপুর ১০।

মহাখালী অঞ্চলের (অঞ্চল-৩) অধীন এনআইডিসিএইচ (বক্ষব্যাধি হাসপাতাল), শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল, ক্যানসার হাসপাতাল, কুষ্ঠ হাসপাতাল, স্বাস্থ্য অধিদফতর, আইসিডিডিআর’বি এবং সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ হাসপাতাল।

মিরপুর-১০ অঞ্চলে (অঞ্চল-৪) সূর্যের হাসি ক্লিনিক, ডা. এম আর খান হাসপাতাল, ব্র‍্যাক মেটারনিটি সেন্টার, নগর মাতৃসদন, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র-১, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক হাসপাতাল, হলি উইমেন্স ক্লিনিক।

কারওয়ান বাজার অঞ্চলে (অঞ্চল-৫) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় কিডনি রোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, ২৫০ বেড টিবি হাসপাতাল, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট।

DNCC-2

হরিরামপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-৬) শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, আল আশরাফ জেনারেল হাসপাতাল, মা ও শিশু হাসপাতাল, শিন শিন জাপান হাসপাতাল এবং লেক ভিউ সুপার হাসপাতাল।

দক্ষিণখান অঞ্চলের (অঞ্চল-৭) অধীন সালমান হাসপাতাল, চাঁদের হাসি ক্লিনিক, ফাতেমা ক্লিনিক, আশা ক্লিনিক, তারেক মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আর্ক হাসপাতাল, সবুজ বাংলা ক্লিনিক, আশিয়ান হাসপাতাল, রোজা মেডিকেল, আর রাহা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক।

উত্তরখান অঞ্চল (অঞ্চল-৮) উত্তরখান জেনারেল হাসপাতাল, উত্তরখান ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।

সপ্তাহব্যাপী এই কার্যক্রমে প্রতিদিন বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং (মশার লার্ভার কীটনাশক) ও এডাল্টিসাইডিং (পরিণত মশার কীটনাশক) প্রয়োগ করা হবে এবং মশার বংশ বিস্তারের স্থান চিহ্নিত করে ধ্বংস করা হবে। অন্যান্য এলাকায় মশকনিধনের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এএস/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]