হ্যাচারি পরিচালনায় আবেদন নিবন্ধন ও নবায়ন ফি বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:১৯ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০২০

হ্যাচারি পরিচালনায় আবেদন, নিবন্ধন ও নবায়ন ফি বেড়েছে। ফি বাড়াতে ‘মৎস্য হ্যাচারি বিধিমালা, ২০১১’ সংশোধন করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। গত ১৯ নভেম্বর সংশোধিত বিধিমালার গেজেট জারি করা হয়েছে।

কার্প মাছের রেণু উৎপাদন হ্যাচারির আবেদন, নিবন্ধন ও নবায়ন ফি ছিল যথাক্রমে একশ, দুই হাজার ও এক হাজার টাকা। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, সেটা এখন বেড়ে হয়েছে দুইশত, তিন হাজার ও দুই হাজার টাকা।

গলদা ও বাগদা চিংড়ি পিএল (পোস্ট লার্ভি) উৎপাদন হ্যাচারির ক্ষেত্রে বর্তমানে আবেদন, নিবন্ধন ও নবায়ন ফি যথাক্রমে দুইশ, সাড়ে সাত হাজার ও ছয় হাজার টাকা। আগে ছিল একশ, পাঁচ হাজার ও তিন হাজার টাকা।

দেশীয় অন্যান্য মাছ ও মনোসেক্স তেলাপিয়া হ্যাচারির ক্ষেত্রে আবেদন, নিবন্ধন ও নবায়ন ফি ছিল যথাক্রমে একশ, দুই হাজার ও এক হাজার টাকা। সেটা এখন বেড়ে হয়েছে দুইশ, তিন হাজার ও দুই হাজার টাকা।

বাহারী মাছের হ্যাচারির আবেদন ফি ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০ টাকা, নিবন্ধন ফি এক হাজার টাকা থেকে বেড়ে দেড় হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে এক হাজার টাকা হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, মাছ ছাড়া অন্যান্য জলজ প্রাণীর হ্যাচারির আবেদন ফি ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০ টাকা, নিবন্ধন ফি ২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৩ হাজার টাকা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে নবায়ন ফি আগের মতোই এক হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

সংশোধিত বিধিমালায় ভাইরাসের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে ‘ভাইরাস’ অর্থ পোনা, রেণু, নপ্লি (লার্ভার প্রথম পর্যায়) ও পিএলের (লার্ভা পরবর্তী পর্যায়) রোগ সৃষ্টিকারী আণুবীক্ষণিক এবং অকোষীয় অণুজীব।

সরকার সময় সময় গেজেট প্রজ্ঞাপন দিয়ে পোনা, রেণু, নপ্লি ও পিএলের জন্য ক্ষতিকর ভাইরাসের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করবে বলেও সংশোধিত বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

হ্যাচারি পরিচালনাকারী পোনা, রেণু, নপ্লি বা পিএল বিক্রি বা সরবরাহ করার আগে এতে ক্ষতিকর ভাইরাসের উপস্থিতি সরকার-স্বীকৃত পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করাবেন এবং এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে তা ভাইরাসমুক্ত বলে লিখিতভাবে ঘোষণা করবেন- বলে বিধিমালায় নতুন একটি বিধি যুক্ত করা হয়েছে।

আরএমএম/এআরএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]