দুর্নীতি করে পালিয়েও শান্তিতে থাকা যাবে না : দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:০৩ পিএম, ২৯ নভেম্বর ২০২০

দুর্নীতি করে দেশে কিংবা বিদেশে পালিয়েও নিস্তার পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

রোববার দুপুরে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের ‘গ্লোবাল করাপশন ব্যারোমিটার এশিয়া ২০২০’ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি করলে আইনের মুখোমুখি হতেই হবে। কঠোর শাস্তি পেতে হবে। দেশে এমনকি বিদেশে পালিয়েও শান্তিতে থাকা যাবে না। দুদক পিছু ছাড়বে না। এক্ষেত্রে কারও ব্যক্তিগত পরিচয়, সামাজিক, পেশাগত, ধর্মীয় অন্য কোনো পরিচয়ে কাজ হবে না। বিগত পাঁচ বছরে আমরা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে চেষ্টা করেছি। ব্যক্তি আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় ছিল না।’

এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘সরকারি পরিষেবা প্রাপ্তিতে ঘুষ-দুর্নীতির প্রকোপ রয়েছে একথা আমরা কখনও অস্বীকার করি না। ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধে আমরা বহুমাত্রিক ব্যবস্থা নিয়েছি।’

তৃণমূলে দুর্নীতি ঘটার আগেই প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত পাঁচ বছরে ফাঁদ মামলা মাধ্যমে অসংখ্য ঘুষখোরকে ঘুষের টাকাসহ হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের কারও কারও বিচারিক আদালতে সাজাও হচ্ছে। গণশুনানির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের কণ্ঠকে উচ্চকিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

দুদকের এই চেয়ারম্যান বলেন, সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) গ্লোবাল করাপশন ব্যারোমিটার এশিয়া ২০২০’ শীর্ষক প্রতিবেদেন দেশের ৮৬ শতাংশ মানুষ দুদকের প্রতি তাদের আস্থা ব্যক্ত করেন। এতে আমি মনে করি, জনগণের প্রতি দুদকের দায়িত্ব আরও বাড়ল। তাদের এই আস্থাকে টেকসই করতে হবে। দুদককে নিরবচ্ছিন্নভাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, আমরা দ্রুততর সময়ে অপরাধকে আমলে নেয়ার অব্যাহত চেষ্টা করেছি। জনহয়রানি যাতে না ঘটে, সেক্ষেত্রে অপরাধী শনাক্তকরণেও সতর্কতার সঙ্গেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি।

এসএম/জেএইচ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]