শিক্ষিত সমাজের ৯৯ শতাংশ দুর্নীতিগ্রস্ত : অধ্যাপক মুনিমুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩৭ পিএম, ২৮ ডিসেম্বর ২০২০

‘শুদ্ধাচারী হওয়ার আগে নৈতিক হতে হবে। কিসের শুদ্ধাচার? নৈতিকতা থাকলে মানুষ আপনা-আপনি শুদ্ধাচারী হয়ে যাবে। সততা ও শুদ্ধাচার প্রয়োগের বিষয়। আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাব আছে বিধায় শুদ্ধাচারের প্রশ্ন এসেছে। অভাবে স্বভাব নষ্ট- এ যুক্তি এখন অর্থহীন। বাংলাদেশের যে কেউ এখন তিন বেলা তৃপ্তি ভরে আহার করতে পারে। অশিক্ষিত শ্রেণির মধ্যে দুর্নীতি নেই। কিন্তু শিক্ষিত সমাজের ৯৯ শতাংশ দুর্নীতিগ্রস্ত। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন সৎ ছাত্র, সৎ শিক্ষক, সৎ পিতামাতা এবং সৎ পরিবেশ। তবেই দুর্নীতি নির্মূল হবে।’

সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে ‘শুদ্ধাচার ও দুর্নীতি প্রতিরোধ’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব কথা বলেন বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এমবিএসটিইউ) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মুনিমুল হক।

কর্মশালায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘এ পার্থিব জীবন ক্ষণস্থায়ী জেনেও মানুষ বিলাসবহুল ফ্ল্যাট নির্মাণে আসক্ত হচ্ছে। কিন্তু মুহূর্তেই মৃত্যু এসে মানুষকে থামিয়ে দিচ্ছে। তাই আল্লাহর ভয় ও পরকালীন জবাবদিহিতা মানুষকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে পারে।’

অনুষ্ঠানে আরও কথা বলেন জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের পরিচালক মো. ইমতিয়াজ হোসেন, শিক্ষার্থীদের পক্ষে বুয়েটের রক্তিম চৌধুরী ও সীমস্বাদ এনা, সমবায় অধিদফতরের কর্মকর্তা আইনিন নাইম ফিমা, বিমান প্রকৌশলী তানজিয়া রশিদ, বিজ্ঞান জাদুঘরের সহকারী কিউরেটর মাসুদুর রহমান।

দুর্নীতি রোধে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যবই কমিয়ে নৈতিকতা শিক্ষা প্রদান, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ, দুদক ও অডিট বিভাগকে শক্তিশালীকরণ এবং দুর্নীতিবাজদের কঠোর শাস্তি প্রদানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন বক্তারা।

পিডি/এআরএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]