সরকারের গ্যাস বিল বকেয়া ৯ হাজার কোটি টাকার বেশি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:১৬ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০২১

বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী দেশের ছয়টি বিতরণ কোম্পানির বর্তমানে বকেয়া গ্যাস বিলের পরিমাণ নয় হাজার ১৯ কোটি ৪ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

সংসদে উপস্থাপিত প্রতিমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বকেয়া তিতাসের। তাদের বকেয়া বিলের পরিমাণ ছয় হাজার ৬৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এছাড়া বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির বকেয়া ৬৯৬ কোটি ৮১ লাখ, কর্ণফুলীর ৮৪৪ কোটি ৯৫ লাখ, জালালাবাদের ৪৮৩ কোটি ৩২ লাখ, পশ্চিমাঞ্চলের ১৯৫ কোটি ১৯ লাখ এবং সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির ১২০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

একই সংসদ সদস্যের অপর এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী গত ১০ বছরে তিতাস গ্যাসের সিস্টেম লসের তথ্য তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী ২০১২-১৩ অর্থ বছরে সিস্টেম প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এলেও আবার বেড়েছে। ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সিস্টেম লস হয়েছে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে। ওই অর্থবছরে তিতাসের ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ সিস্টেম লস হয়।

প্রতিমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ২ দশমিক ১৪ শতাংশ, ২০১০-১১ অর্থবছরে ১ দশমিক ৮২ শতাংশ, ২০১১-১২ অর্থবছরে ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ, ২০১২-১৩ অর্থবছরে শূন্য দশমিক ০৩ শতাংশ, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে শূন্য দশমিক ৩২ শতাংশ, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২ দশমিক ৮১ শতাংশ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ দশমিক ১৭ শতাংশ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২ শতাংশ সিস্টেম লস হয়েছে।

এইচএস/এমআরআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]