গৃহহীনদের জন্য ৪৬৩ দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০২ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২১

মুজিববর্ষে ভূমি ও গৃহহীন মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য দেশের তিন জেলায় ৪৬৩টি দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণে ৮ কোটি ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর এ বরাদ্দ দিয়েছে।

এর আওতায় ফরিদপুরে ২৬১টি, ঝিনাইদহে ১৮২টি ও কুড়িগ্রাম জেলায় ২০টি দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ করা হবে।

বরাদ্দপত্র অনুযায়ী, চলতি (২০২০-২১) অর্থবছর মুজিব শতবর্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন ‘ক’ শ্রেণির ৪৬৩টি দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণে মোট ৭ কোটি ৯১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ঘরের মালামাল পরিবহনে ঘরপ্রতি ৪ হাজার টাকা হারে সব মিলিয়ে মোট ৮ কোটি ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বরাদ্দ দেয়া অর্থ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অনুকূলে উপ-বরাদ্দ প্রদান, শর্ত এবং নীতিমালা অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করতে জেলা প্রশাসকদের বলা হয়।

বরাদ্দপত্র অনুযায়ী, এ অর্থ উত্তোলন ও কাজ বাস্তবায়নের সময়সীমা আগামী ৩০ জুন। এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নগদ টাকায় ‘দুর্যোগ সহনীয় গৃহনির্মাণ’ কর্মসূচির জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে জারি করা নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে।

ঘর নির্মাণে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের অনুকূলে দুই শতাংশ খাসজমির ব্যবস্থা করে একক গৃহনির্মাণ কাজ করতে হবে।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ‘মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঘর প্রদান নীতিমালা ২০২০’ অনুসরণ করতে হবে। এ কর্মসূচির অর্থ প্রচলিত সব আর্থিক বিধি-বিধান অনুশাসন যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে বলেও বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন না হলে প্রকল্প বাতিল করা এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বরাদ্দ হওয়া অর্থ ফেরত নেয়াসহ প্রচলিত আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রচলিত নিয়মে প্রকল্প কাজের ভাউচার বা মাস্টাররোল নিরীক্ষার জন্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পরিদর্শন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

আরএমএম/এসএস/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]