কারখানার আগুন মানতে পারছেন না ওলিও অ্যাপারেলের শ্রমিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৩৬ পিএম, ২৪ জানুয়ারি ২০২১

কমলাপুরের তৈরি পোশাক কারখানা ওলিও অ্যাপারেলের আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও থমথমে বিরাজ করছে ওই এলাকায়। এখনও পোড়া গন্ধ বের হচ্ছে কারখানা থেকে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর কারখানাটি সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করলেও অনেক শ্রমিক কারখানার সামনেই অবস্থান করছেন।

নিজের কর্মস্থলে আগুন লাগার ঘটনা অনেকেই মানতে পারছেন না। কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও মালিকের ক্ষতিতে ব্যথিত এসব শ্রমিক।

এর আগে রোববার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট। সকাল ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

jagonews24

ওলিও অ্যাপারেলে দীর্ঘদিন কাজ করে আসা হাসান বলেন, আমরা এখানে স্টাফ-শ্রমিক মিলে একসাথে ৩ হাজার মানুষ কাজ করি। মালিকের সাথে সবারই সুসম্পর্ক রয়েছে, নিয়মিত বেতন হচ্ছে এখানে। আজ হঠাৎ কারখানাটির ৬ষ্ঠ তলায় গোডাউনে আগুন লাগার ঘটনাটি মানতে পারছি না। আমাদের হাতের তৈরি পোশাক রফতানি হবে দেশের বাইরে, অথচ আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়েছে।

আরেক শ্রমিক শরিফুলের ভাষ্য, ‘আমরা পৌনে ৮টা থেকে কারখানায় প্রবেশ করি। আজ আগুনের ঘটনায় কারখানা বন্ধ হয়েছে। আমাদের এখানে মালিক-শ্রমিকের কষ্টের ফসল ছিল ওই পোশাকগুলো। এভাবে পুড়ে যাবে, মালিক ক্ষতির মুখে পড়বে এটা আমরা কখনও চাইনি।’

jagonews24

কারখানাটির কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ কারখানাটিতে ডেনিম (জিন্স) তৈরির পাশাপাশি ফতোয়া (মেয়েদের পোশাক) তৈরি হতো। ফতোয়াগুলো ফিনিশিং হয়েছে, এখন প্যাকিংয়ে যাবে। সেগুলো গোডাউনে রাখা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ আগুনের ঘটনায় সেগুলো পুড়ে যায়।

এ কারখানাটির ৫ম ও ৭ম তলায় বয়লার থাকলেও সেগুলো অক্ষত রয়েছে। বয়লারে আগুনের ঘটনা ঘটলে হয়তো আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতো। তবে আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেননি তারা।

ইএআর/এমএইচআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]