রাজধানীর অবৈধ স্থাপনা ধাপে ধাপে চিহ্নিত করে উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১৯ পিএম, ২৪ জানুয়ারি ২০২১

সিএস ও আরএস জরিপ দেখে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থাকা অবৈধ স্থাপনা ধাপে ধাপে চিহ্নিত করে উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে দুই সিটি করপোরেশনের গৃহীত কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা সভা শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে। সামগ্রিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করে আজ তারা উপস্থাপন করেছে, এজন্য অনেকগুলো প্রকল্প নিতে হবে, সেজন্য তারা মতামতও দিয়েছে। অনেকগুলো জায়গায় ভুয়া কাগজ তৈরি করে অনেকেই অবকাঠামো নির্মাণ করেছেন। সেজন্য ঢাকার ডিসি, পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। সবার সমন্বয়ে সিএস এবং আরএস দেখে ফেস বাই ফেস, এক মাসের ভেতরে, দ্বিতীয় ফেস দুই মাসের ভেতরে, তৃতীয় ফেস তৃতীয় মাসের ভেতরে সমস্ত জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেবে। সিটি করপোরেশন সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নিয়ে সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চালাবে।’

অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা ঢাকার ব্রিজ-কালভার্টগুলো চিহ্নিত করে পুনর্নিমাণ করা হবে। যেসব বক্স কালভার্টের ভেতরে ২৫-৩০ বছরের ময়লা জমে আছে সেখানে সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

ঢাকাকে দৃষ্টিনন্দন শহরে রূপান্তরে অনেকগুলো প্রকল্প ও প্রক্রিয়া হাতে নেয়া হয়েছে জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, ওয়াসার কাছে থাকা ঢাকার ২৬টি খাল সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অবৈধ দখল থেকে এসব খাল উচ্ছেদ করে সেগুলোকে সংস্কার করা হবে। সব খালগুলোকে দৃষ্টিনন্দনভাবে দুই পাড় বাঁধিয়ে পায়ে চলার মতো ব্যবস্থা করা হবে। সবগুলো খালের সঙ্গে কানেকটিভিটি করা গেলে ওয়াটার টান্সপোর্ট পরিচালনা করতে পারব। এতে যেমন উপভোগ্য হবে, সড়কের ট্রাফিক কমবে। খালগুলোর পাশ থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করে সেখানে রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।’

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ঢাকায় এখনো ৩৯টি খালের অস্তিত্ব রয়েছে। সেগুলোকে সংস্কার করতে আমরা কাজ করছি। এর মধ্যে ২৬টি ওয়াসার কাছে ছিল, বাকি ১৩টি খাল পূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজউকের অধীনে আছে। পূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজউকের কাছে থাকা খালগুলোও যাতে সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয় সেই সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. সাঈদ নূর আলম ছাড়াও অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরএমএম/এমআরআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]