নিবন্ধন ছাড়া ট্যুর অপারেটর পরিচালনা করলে ৬ মাসের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:২৫ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২১

নিবন্ধন ছাড়া ট্যুর অপারেটর পরিচালনাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ৬ মাসের জেল বা ২ লাখ টাকা বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ ট্যুর অপারেটর ও ট্যুর গাইড (নিবন্ধন ও পরিচালনা) আইন, ২০২১’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে সুপরিকল্পিতভাবে ট্যুর কার্যক্রম পরিচালনায় ট্যুর অপারেটর ও গাইড আইনের আওতায় পর্যটকদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়। ট্যুর অপারেটর কীভাবে পরিচালনা করা হবে, দেশি-বিদেশি ট্যুর অপারেটরদের কীভাবে অনুমোদন দেয়া হবে, কীভাবে নিবন্ধন দেয়া হবে- আইনে এসব উল্লেখ করা হয়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আইনে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ট্যুর অপারেটররা যদি কোনো অপরাধ করে তাহলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। অপরাধের বিচার মোবাইল কোর্টের আওতাধীন হবে এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিচার করা যাবে।’

নিবন্ধন ছাড়া ট্যুর অপারেশন করা যাবে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘নিবন্ধনের জন্য কী কী যোগ্যতা তা নির্ধারণ করে দেয়া হবে। সনদ প্রদানের জন্য সরকার একটি নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ গঠন করবে।’

‘পর্যটকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে আইন করা হয়েছে। এর অধীনে একটি গাইডলাইন করা হবে। কোন সেবা কত টাকার মাধ্যমে পাওয়া যাবে, এগুলো পরিষ্কার হবে। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য ট্যুর অপারেটর, ট্যুর গাইডের কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুচারুরূপে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ধীরে ধীরে যত উন্নত দেশের দিকে যাব, আমাদের সেবাগুলো তত উন্নত হতে থাকবে। সেবাখাত বিনিয়োগের একটা বড় ক্ষেত্র হবে। এজন্য আইন করার উদ্যোগ নেয়া হয়।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আইনের মাধ্যমে পর্যটকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। সেবা প্রাপ্তি সহজ হবে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। কারণ অনেক বড় বড় ইনফরমাল ট্যুর হচ্ছে কিন্তু কোনো ভ্যাট বা ট্যাক্স সরকারের খাতে জমা হচ্ছে না। এজন্য যত নিবন্ধন ও ট্যুর হবে সবগুলো রাজস্ব বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চলে আসবে।’

আরএমএম/এসএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]