মানুষের ভীতি দূর করতে আগে ভ্যাকসিন নিয়েছি : নাসিমা সুলতানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩৭ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২১
ছবি : মাহবুব আলম

অপপ্রচার বন্ধ করতে দেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগের শুরুতেই এ কর্মসূচিতে শামিল হয়েছেন বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা বেগম। তিনি বলেন, ভ্যাকসিন খুবই সাধারণ একটি বিষয়। এটি নেয়ার সময় কোনো ব্যথা অনুভব করিনি। একটি অপপ্রচার মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে যে, এটি ক্ষতিকর। সেজন্যই মানুষের ভীতি দূর করতে আমি আগে ভ্যাকসিন নিয়েছি।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে করোনা টিকাদান কর্মসূচির প্রথম দিন তিনি এসব কথা বলেন।

নাসিমা বেগম বলেন, একজন স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে নিজে আগে না নিয়ে অন্যদের নিতে বলাটা ঠিক হবে না। এ বিষয়ে আমি আমার পরিবারের লোকজনকে, আমার সহকর্মীদেরও আগে থেকে জানাইনি। নিজে থেকেই সংকল্প করেছি প্রথম অবস্থায়ই আমি ভ্যাকসিন নেব।

তিনি আরও বলেন, ‘ছোটবেলায় ভ্যাকসিন নেয়ার সময় একটা ভীতি ছিল এবং আমরা তখন ব্যথাও পেতাম। সবারই এমন অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু এখন সবকিছু আধুনিক, মানুষকে কম কষ্ট দেয়ার জন্য। এখন যে নিডলটা ব্যবহার করা হচ্ছে এটি খুবই ছোট এবং চিকন। আমি কোনো ব্যথা অনুভব করিনি।’

‘তবে রাতের দিকে সামান্য ব্যথা হতে পারে। বাচ্চাদের ভ্যাকসিন দেয়ার সময় হালকা জ্বর হয়। যেখানে দেয়া হয় সে জায়গাটা হালকা ফুলে লাল হয়ে যায়। তখনই বোঝা যায় ভ্যাকসিন ভালো কাজ করছে। এটুকু আমাদের মেনে নিতে হবে।’

স্বাস্থ্য অধিদফতরের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘ভ্যাকসিন নেয়ার পর সামান্য জ্বর, ব্যথা, খাবারে অরুচি, বমিভাব এরকম একটু হতেই পারে এটা স্বাভাবিক। আবার নাও হতে পারে। এসব বিষয় মাথায় নিয়ে আমাদের ভ্যাকসিন দিতে হবে।’

‘ভ্যাকসিন আসার আগে মানুষের অনেক আগ্রহ ছিল যে ভ্যাকসিন পেলে আমরা সুরক্ষিত হবো। কিন্তু যেভাবেই হোক একটি অপপ্রচার মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে যে, এটি মানুষের ক্ষতি করবে। সেজন্যই আমি আগে নিয়েছি। মানুষের ভীতি দূর করতে।’

এসএম/এসএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]