ঢাকার ‘গ্রামীণ’ এলাকা পরিদর্শনে মেয়র তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩৭ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

২০১৬ সালে নতুন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) যুক্ত হয় ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড। এ এলাকাগুলোর বেশিরভাগই নদীবেষ্টিত। সিটি করপোরেশনে যুক্ত হলেও গ্রামীণ আবহের এই ওয়ার্ডটিতে তেমন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বর্ষা মৌসুমে এই এলাকার বেশিরভাগ জায়গাই পানিবেষ্টিত থাকে। তখন যাতায়াত করতে হয় নৌকা বা সাঁকোর সাহায্যে।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ডিএসসিসির এই ‘গ্রামীণ’ ওয়ার্ডটির ত্রিমোহনী, গুদারাঘাট, দাসেরকান্দি, বালু নদীর পাড়, কায়েতপাড়া, ঈদেরকান্দি, ফকিরখালী এলাকা ঘুরে দেখেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। এ সময় ওই এলাকায় বিনা অনুমতিতে গড়ে ওঠা গৃহায়ন প্রকল্প বন্ধের নির্দেশ দেন।

ডিএসসিসি আঞ্চলিক নির্বাহী ও সম্পত্তি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়ে মেয়র তাপস বলেন, ‘করপোরেশনের অনুমোদনহীন সব গৃহায়ন প্রকল্প বন্ধ করুন। বন্ধ, বন্ধ, বন্ধ। (অনুমোদন ছাড়া স্থাপনা) এসব বন্ধ করুন।’

সাপ্তাহিক পরিদর্শন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে ডিএসসিসি মেয়র শেখ তাপস এদিন সকাল থেকে নৌকায় করে ত্রিমোহিনী গুদারাঘাট থেকে দাসেরকান্দি, বালু নদীর পাড়, কায়েতপাড়া বাজার, ঈদেরকান্দি ও ফকিরখালী এলাকা ঘুরে দেখেন।

jagonews24

ফকিরখালীর বেশকিছু জায়গা ঘুরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তাপস। এরপর দুপুরে ত্রিমোহনী বাজারে গিয়ে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘আমরা সরেজমিন দেখলাম যে, এখানে কিছু আবাসন প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিনা অনুমতিতে জমি দখল করছে। যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে তারা আবাসন করছে। যেখানে মানুষ ভুক্তভোগী হচ্ছে। এই এলাকার জনগণ প্রতিবাদ জানিয়েও কূল-কিনারা পাচ্ছে না, ফল পাচ্ছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে আমাদের সম্পত্তি বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছি। আমাদের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাসহ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি যে, এখানে ড্রেজিং (নদী খনন) বন্ধ করতে হবে। এখানে যত্রতত্র বিনা অনুমতিতে হাউজিং করা যাবে না। প্রয়োজন হলে আমরা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যান, যন্ত্রপাতি, সরঞ্জামাদি বাজেয়াপ্ত করব।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. বদরুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, সচিব মো. আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. জাফর আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, মো. খায়রুল বাকের, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম, স্থানীয় কাউন্সিলরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমএমএ/এসএস/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]