স্বর্ণ আত্মসাৎ : সমবায় ব্যাংকের তিন কর্মকর্তার দায় স্বীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪১ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

গ্রাহকদের বন্ধক রাখা স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের তিন কর্মকর্তা দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন- ব্যাংকটির উপমহাব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) হেদায়েত কবীর ও সমবায় ভূমি উন্নয়ন ব্যাংকের এসএস রোড শাখার ব্যবস্থাপক মো. মাহাবুবুল হক।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তাদের ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি স্বীকারোক্তি দেয়া তিন আসামিসহ পাঁচজনের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডে থাকা অপর আসামিরা হলেন- সমবায় ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ওমর ফারুক ও সিনিয়র অফিসার (ক্যাশ) নুর মোহাম্মদ।

একই দিন সকালে সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মহিসহ নয়জনের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ একটি মামলা করেন সংস্থাটির উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম। এরপর দুদক কর্মকর্তা ইব্রাহিমের নেতৃত্ব একটি দল রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে তাদের গ্রেফতার করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সমবায় ব্যাংক থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে দুই হাজার ৩১৬ জন গ্রাহকের বন্ধক রাখা সাত হাজার ৩৯৮ ভরি ১১ আনা স্বর্ণ আত্মসাতের চেষ্টা করেন। এসব স্বর্ণের দাম প্রায় ৪০ কোটি আট লাখ ৬০ হাজার ৮৮৮ টাকা। এর মধ্যে অন্য ব্যক্তিকে প্রকৃত গ্রাহক সাজিয়ে ১১ কোটি ৩৯ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮৬ টাকার স্বর্ণ আত্মসাৎ করেন আসামিরা।

জেএ/বিএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]