‘মৃত্যুভয় দূরে ঠেলে সাদা পতাকা হাতে পিলখানায় ঢুকেছিলেন নানক-আজম’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:১২ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মির্জা আজম মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে সাদা পতাকা হাতে পিলখানায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত ‘সমৃদ্ধ জামালপুর ও মির্জা আজম’ বই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির বিডিআর বিদ্রোহের হত্যাকাণ্ডে সকলের মাঝে ভীতি সঞ্চার হয়েছিল। মনে হয় যেন, সরকারের পতন ঘটিয়ে নতুন একটা কিছু ক্যু হতে যাচ্ছিল। কিন্তু সেই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মাথায় নিয়ে অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মির্জা আজম ভাই মৃত্যু ভয়কে উপেক্ষা করে সাদা পতাকা হাতে নিয়ে পিলখানার বিডিআর হেডকোয়ার্টারে প্রবেশ করেছিলেন।’

ডা. মুরাদ হাসান বলেন, ‘তৎকালীন সেই বিডিআর বিদ্রোহে যারা নেতৃত্ব দিয়েছিল তাদের অত্যন্ত অপমানজনক আচরণ ও হুমকি-ধামকিসহ সমস্ত কিছুকে উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য আমাদের নেতারা সেদিন কিন্তু সফলভাবে আলোচনা করে সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই বিডিআর বিদ্রোহ দমনে নানক ও আজম ভাইয়ের যে ভূমিকা তা আমি আজকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং জাতিও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।’

প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামালপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এই অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি গর্বিত। একজন জনপ্রতিনিধির জীবনকে বইয়ের পাতায় তুলে ধরার জন্য আমি লেখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। প্রত্যাশা করি, এই বইয়ের মাধ্যমে মির্জা আজমকে আমাদের তরুণ প্রজন্ম জানতে পারবে।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে ঢাকাস্থ জামালপুর সমিতির সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম, ঢাকাস্থ মাদারগঞ্জ সমিতির মহাসচিব আইনজীবী জুলফিকার আলী বাবুলসহ বইটির লেখক মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এওয়াইএইচ/এমআরআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]