ঢাকায় বাড়ে সাঁজোয়া যানের টহল, মিছিল ঠেকাতে দেয়া হয় ব্যারিকেড

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:০৫ এএম, ০৬ মার্চ ২০২১

১৯৭১ সালের ১ মার্চের পর থেকে দেশব্যাপী গুলিবিদ্ধ মরদেহের সংখ্যা বাড়তে থাকে। রংপুর, চট্টগ্রাম, খুলনা, যশোর আর ঢাকার পরিস্থিতি হয়ে ওঠে থমথমে। রাজধানীর রাস্তায় সশস্ত্র-বাহিনীর ট্রাক আর অ্যাম্বুলেন্স ঘন ঘন যাওয়া-আসা করছিল। মিছিল ঠেকাতে রাস্তায় রাস্তায় তৈরি হলো ব্যারিকেড। তারপরেও সারাদেশ সভা-সমাবেশ-মিছিলে উত্তাল। ঢাকায় ষষ্ঠ দিনের মতো হরতাল পালনকালে সর্বস্তরের জনতা নেমে আসে রাস্তায়। স্লোগান ওঠে, ‘ভুট্টোর মুখে লাথি মারো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো।’

সেদিন সকাল ১১টার দিকে সেন্ট্রাল জেলের গেট ভেঙে ৩৪১ জন কয়েদি পালিয়ে যায়। পালানোর সময় পুলিশের গুলিতে ৭ জন কয়েদি নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়। পাক প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া দুপুরে এক বেতার ভাষণে ঢাকায় ২৫ মার্চ পুনরায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন।

পেশোয়ারে পাকিস্তান মুসলিম লীগ প্রধান খান আবদুল কাইয়ুম খান ২৫ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহবানের সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তৎকালীন ছাত্রনেতারা ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দান থেকে সরাসরি বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাংলাদেশের সকল বেতার কেন্দ্র থেকে রিলে করার দাবি জানান।

এসএম/এসএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]