ঢামেকে সন্তানের মরদেহ নিতে আসা বাবা-মাকে মারধরের অভিযোগ

ঢামেক প্রতিবেদক
ঢামেক প্রতিবেদক ঢামেক প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৩৩ এএম, ২৪ মার্চ ২০২১

রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পূর্ব নাখালপাড়া এলাকায় গত ১৯ মার্চ ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হয় আমির হামজা (৯) নামে এক শিশু। ওইদিনই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের ২০৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) রাত ৮টার দিকে মারা যায় সে।

এরপর তার মরদেহ নিয়ে হাসপাতাল ছাড়ার সময়ে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সঙ্গে স্বজনদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মৃত শিশুর বাবা মোহাম্মদ লিটন ও মা মোছা. লিপি বেগমকে আনসার সদস্যরা মারধর করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তবে আনসার সদস্যদের দাবি- শিশুটি মারা যাওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই তার মরদেহ নিয়ে হাসপাতাল ছাড়ার চেষ্টা করে স্বজনরা। এসময় আনসার সদস্যরা তাদেরকে বাধা দিয়ে হট্টগোল হয়। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

মৃত আমির হামজার বাবা মোহাম্মদ লিটন হোটেল কর্মচারী এবং মা লিপি বেগম পোশাকশ্রমিক। তাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জে। বর্তমানে তারা তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের পূর্ব নাখালপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

লিটন অভিযোগ করেন, সন্তানের মরদেহ নিয়ে হাসপাতাল ছাড়তে চাইলে আনসার সদস্যরা তাদের বাধা দেয়। এসময় তারা হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে মারধরও করেন।

ঢামেক হাসপাতালে দায়িত্বরত আনসারের প্লাটুন কমান্ডার মো. মিজানুর রহমান বলেন, চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়াই স্বজনরা মরদেহ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আনসার সদস্যরা বাধা দেয়। এসময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘এমন একটা ঘটনা ঘটেছে বলে জেনেছি। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আমরা বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। পরে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এএএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]