দেশের উন্নয়ন কেউ ব্যাহত করতে পারবে না

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৩:৩৭ পিএম, ১২ এপ্রিল ২০২১

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, দেশ ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আফগানিস্তানের মতো বানিয়ে দেশকে ধ্বংস করতে চাচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারীদের হুঁশিয়ারি দিতে চাই, এ দেশকে কোনোদিনই ইরাক-সিরিয়ার মতো বানানো যাবে না।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নকে সহ্য করতে না পেরে, দেশকে পেছনে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্রকারী এ কুচক্রী মহলকে দাতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কোনো অবস্থায়ই বাংলাদেশের স্বাধীনতা, উন্নয়নকে ব্যাহত করতে দেয়া হবে না। তাদের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা হবে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশ উন্নয়নশীল দেশের তালিকাভুক্ত হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়েই বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে।

সোমবার (১২ এপ্রিল) মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর আয়োজিত ২০২০-২১ অর্থ বছরে খরিফ-১/২০২১ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধান বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকাস্থ সরকারি বাসভবন হতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তি‌নি এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী উপস্থিত কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকদের বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

তিনি বলেন, কোনো কৃষিজমি পতিত রাখা যাবে না। সারা বছর ধান, আলু, ডাল সহ বিভিন্ন প্রকার ফসল ফলাতে হবে। এতে নিজের পাশাপাশি দেশেরও মঙ্গল হবে।

মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের মহামারিকালে সবাইকে মাস্ক পরিধান, নিয়মিত হাত ধোঁয়া এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

এ সময় সভাপতিত্ব করেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামীম আল ইমরান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সােয়েব আহমদ, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মােহাম্মদ তাজ উদ্দিন এবং বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নিয়াজ উদ্দীন, প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ দেবল সরকার।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে ২০২০-২১ অর্থ বছরে খরিফ-১/২০২১ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বড়লেখা উপজেলায় ১৬০০ জন এবং জুড়ী উপজেলার ১৬৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে বিনামূল্যে এক বিঘা আউশ ধান চাষের জন্য ৫ কেজি আউশ ধানের বীজ, ২০ কেজি ডিএপি (ডাইঅ্যামােনিয়াম ফসফেট), ১০ কেজি এমওপি (মিউরেট অব পটাশ) রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদবোধন করা হয়।

এমইউ/এমআরএম/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]