‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যাপকতা বাড়াতে গবেষণায় বিনিয়োগ প্রয়োজন’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩৭ পিএম, ১২ এপ্রিল ২০২১
ফাইল ছবি

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যাপকতা বাড়াতে গবেষণায় বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

সোমবার (১২ এপ্রিল) অনলাইনে ‘সেকেন্ড ভার্চুয়াল মিনিস্ট্রিয়াল মিটিং অব দ্যা কপ-২৬ এনার্জি ট্রান্সজিশন কাউন্সিলে (কপ২৬ ইটিসি) বক্তব্যকালে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের জন্য জমির পরিমাণ কমানোকল্পে প্রযুক্তি আবিষ্কার করা সময়ের দাবি। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ বা বায়ু থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগ ও গবেষণাকে স্বাগত জানানো হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এনার্জি ট্রানজিশন কাউন্সিল পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে ক্লিন এনার্জি ব্যবহার করে টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়তে কাজ করছে। বাংলাদেশ ক্লিন এনার্জি ব্যবহারে অত্যন্ত ইতিবাচক। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ক্লিন ও গ্রিন এনার্জি নিয়ে গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল ২০১৫ সাল থেকে কাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জ্বালানি দক্ষতা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন ও ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য ২০১৪ সাল থেকে টেকসই এবং নাবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অংশীজনদের নানাভাবে সহযোগিতা করছে। সচেতনতা বাড়াতে ২০১০ সাল থেকে আয়োজন করা হচ্ছে বিদ্যুৎ সপ্তাহ।’

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়নশীল থেকে মধ্যম আয়ের দেশ, মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত দেশ, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, চাকরি থেকে উদ্যোক্তা, ডিজিটালাইজেশন থেকে শিল্প বিপ্লব প্রভৃতির মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রূপকল্প -২০২১, রূপকল্প -২০৪১, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, বদ্বীপ পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানি বৈচিত্রতা, ক্লিন এনার্জি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিবেচনায় রেখে পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে। যা সময় সময় পারিপার্শ্বিকতার প্রেক্ষিতে হালনাগাদ করা হয়।’

২০৪১ সালের মধ্যে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ১৭ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে উৎপাদন করা হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘৫ দশমিক ৮ মিলিয়ন সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে ২০ মিলিয়ন গ্রামীণ জনগণকে বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হয়েছে। জমির স্বল্পতার জন্য বড় আকারে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা সম্ভব হচ্ছে না। জমি কম লাগে এমন প্রযুক্তিকে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে।’

কপ২৬ ইটিসির সহ-সভাপতি ডামিলোলা ওগোনবিয়ির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে ভারতের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আর কে সি, নাইজেরিয়ার বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী গডি জেডি আগবা, মিশরের বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রী আহমেদ কুডিয়ান, মরক্কোর বিদ্যুৎ মন্ত্রী আজিজ রাব্বাহসহ ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, লাউস, পাকিস্তান, ফিলিপাইন্স, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভিয়েতনামের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

আরএমএম/জেডএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]