খণ্ডিত তথ্য প্রচারিত হওয়ায় গাছ কাটা নিয়ে বিভ্রান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৬ পিএম, ০৫ মে ২০২১ | আপডেট: ০৫:২৭ পিএম, ০৫ মে ২০২১

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা নিয়ে গণমাধ্যমে খণ্ডিত তথ্য প্রচারিত হওয়ায় অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছে, মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কিছু গাছ কাটা হলেও প্রায় এক হাজার গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ মে) নিজেদের বক্তব্য জানিয়ে এক বিবৃতি দেয় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শতাধিক গাছ কেটে রেস্টুরেন্ট তৈরি করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

বিবৃতি মন্ত্রণালয় বলেছে, “বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনে বিভিন্ন সময়ের আন্দোলন ও ঘটনাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইতোমধ্যে শিখা চিরন্তন, স্বাধীনতা স্তম্ভ ও ভূগর্ভস্থ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মাণ করা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ, আধুনিক নগর উপযোগী সবুজের আবহে আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ‘ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ (৩য় পর্যায়)’ শীর্ষক মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।”

এতে আরও বলা হয়, ‘এ মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বর্তমানে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণকাজ যেমন- পাকিস্তানি শাসনবিরোধী ২৩ বছরের মুক্তিসংগ্রাম ও ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্বলিত ভাস্কর্য স্থাপন, ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের স্থানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থানে ভাস্কর্য স্থাপন, ইন্দিরা মঞ্চ নির্মাণ, ওয়াটার বডি ও ফাউন্টেইন নির্মাণ, ভূগর্ভস্থ ৫০০ গাড়ির কার পার্কিং ও শিশুপার্ক নির্মাণসহ বিভিন্ন নির্মাণকাজ চলমান।’

মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কিছু গাছ কাটা হলেও প্রায় এক হাজার গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে বলা হয়, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সব কার্যক্রমের বিষয়ে খণ্ডিত তথ্য প্রচারিত হওয়ায় অনেকের মাঝে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।’

এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নাগরিকদের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে বিবৃতিতে।

আরএমএম/জেডএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]