রাজধানীর ৩২ ও ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে এডিস মশার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:০৩ পিএম, ০৬ মে ২০২১ | আপডেট: ০৯:১৪ পিএম, ০৬ মে ২০২১

রাজধানী ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের লালমাটিয়া ও ইকবাল রোড এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী এলাকায় এডিস মশার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর (কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মশার ঘনত্ব পরিমাপক সূচকের সর্বোচ্চ (বিআই) পরিমাপকে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বোচ্চ ২৩ দশমিক ৩ ভাগ এবং ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিআই পাওয়া গেছে ২০ ভাগ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের ‘মৌসুম পূর্ব এডিস সার্ভে, ২০২১’-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির ৬৯টি ওয়ার্ডের ৭০টি স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ২০টি টিম।

উল্লিখিত দুটি এলাকা ছাড়া মশার ঘনত্ব পরিমাপক সোচ্চার বিআই ১০-এর বেশি পাওয়া গেছে ডিএনসিসির ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের মনিপুর, পীরেরবাগ, শেওড়াপাড়া, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নুরজাহান রোড, আসাদ এভিনিউ ও শাহজাহান রোড, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের মগবাজার ও নিউ ইস্কাটন এবং ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের মধুবাগ, নয়াটোলা ও মীরবাগ এলাকায়।

প্রাক-মৌসুম জরিপে সর্বাধিক পজিটিভ কনটেইনার সময়ের মধ্যে মেঝেতে জমানো পানিতে সর্বোচ্চ ২০ দশমিক ২২ শতাংশ , প্লাস্টিকের ড্রামে ১৯ দশমিক ১০ শতাংশ, প্লাস্টিক বালতি ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ, পানির ট্যাংকের ৭ দশমিক ৭ শতাংশ পানির মিটারের গর্তে ৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ, ফুলের টব ও এবং ট্রেতে ২ দশমিক ২৫ শতাংশ, প্লাস্টিক বোতলে ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং লিফটের গড়ে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ সবচেয়ে বেশি বিআই পাওয়া গেছে।

এডিস মশার প্রজনন স্থানের প্রাপ্যতার ভিত্তিতে পজিটিভ বাড়ির শতকরা হার বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ৪৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। এছাড়া নির্মাণাধীন ভবনে ৩৪ দশমিক ৫২ শতাংশ, একক ভবনে ১৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং বস্তি এলাকায় ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ বিআই পরিলক্ষিত হয়।

এছাড়াও এডিস মশার পজিটিভ কন্টেইনার (পানিতে লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি) এর শতকরা হার (পজিটিভ প্রজনন স্থান অনুযায়ী) বহুতল ভবনে ৪৩ দশমিক ৮২ শতাংশ, নির্মাণাধীন ভবনে ৩৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ, একক ভবনগুলোতে ১৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ, বস্তি এলাকায় ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ জমিগুলোতে শূন্য বিআই পাওয়া যায়।

এমইউ/এসএস/জিকেএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]