সরকার টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে সর্বদা সচেষ্ট : রাষ্ট্রপতি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৫৩ এএম, ০৯ জুন ২০২১ | আপডেট: ০২:৫৮ এএম, ০৯ জুন ২০২১
ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়ন উপযোগী জাতীয় মান অবকাঠামো দেশে বিদ্যমান। বাংলাদেশ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টর ১৭টি লক্ষ্য ও ১৬৯টি অভিলক্ষ্য অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জাতিসংঘ ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য নিরসনে কাজ করছে। আমাদের সরকার সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মতো টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে সর্বদা সচেষ্ট।

বুধবার (৯ জুন) বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস-২০২১ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ‘বিশ্ব অ্যা ক্রেডিটেশন দিবস-২০২১ উদযাপন করছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘অ্যাক্রেডিটেশন : সাপোর্টিং দ্য ইমপ্লিমেন্টেশন অফ দ্য সাসটেইনবল ডেভেলপমেন্ট গোলস’ অত্যন্ত সময়োপযোগী। এতে কৌশলগত উন্নয়ন অভিলক্ষ্যের উদ্দেশ্যে এবং লক্ষ্যমসমূহ কারিগরি জ্ঞান ও সক্ষমতার সমন্বয়ে বাস্তবায়ন, পরিমাপ ও তদারকির বিষয়টিতে বেশ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। যা নীতি নির্ধারক, ব্যবসা ও অন্যান্য অংশীজনদেরকে সহায়তা প্রদান করবে। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির মধ্যেও জীবিকা ও বাণিজ্যের গুণাগুণ মান ও প্রমিত মানের ভূমিকা এবং বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের ওপর এর প্রভাব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অ্যাক্রেডিটেশন মেট্রোলজি, মান নির্ধারণ ও বাজার তদারকির মাধ্যমে দেশে গুণগতমান অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে কারিগরি সমস্যা সমাধানের একটি স্বীকৃত সহজ উপায় হলো অ্যাক্রেডিটেশন, যা বৈদেশিক বাণিজ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিবেশ সুরক্ষা, শিল্প ও অবকাঠামো উন্নয়নে নীতি নির্ধারকদের জন্য সহায়তা ও সমর্থন করে থাকে। আমি এই দিবসের গৃহীত সকল কার্যক্রমের সফলতা কামনা করছি।

এইচএস/এমএসএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]