চট্টগ্রামে ওসির ‌‘মসজিদ পুলিশিং’

মিজানুর রহমান, নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম মিজানুর রহমান, নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ১২:৪১ এএম, ১২ জুন ২০২১ | আপডেট: ০২:০৫ পিএম, ১২ জুন ২০২১

ঘড়ির কাঁটায় তখন দুপুর ১টা। জুমার খুতবা পূর্ববর্তী বয়ান শেষে চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার দক্ষিণ পাহাড়তলী ঝর্ণা পাড়া অলি আহাম্মদ জামে মসজিদে তখন পিনপতন নীরবতা। তিন তলার সুরম্য মসজিদটির ভেতরে বাইরে উপস্থিত প্রায় সাড়ে তিন হাজার মুসল্লি। এমন সময় পাঞ্জাবি পরিহিত আরেক লোক দাঁড়ালেন মাইক হাতে।

নিজেকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিচয় দিয়ে শুরু করেন কথা বলা। মাদক, কিশোর গ্যাংসহ সমসাময়িক বিভিন্ন অপরাধের আইনি ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন বক্তৃতায়। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মুসল্লিদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার চুক্তি করেন। নিজের নম্বর মুসল্লিদের দিয়ে আহ্বান করেন অপরাধীর তথ্য প্রদানের জন্য।

শুক্রবার (১১ জুন) সরেজমিনে মসজিদটিতে জুমার নামাজে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

প্রায় ১০ মিনিটের বক্তব্যে ওসি মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘আমি আপনাদের সবচেয়ে আস্থার জায়গা মসজিদে দাঁড়িয়ে বলছি, এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আপনাদের সঙ্গে কাজ করবো। আপনারা শুধু আমাকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন। বাকি বিষয়গুলো আমরা পুলিশ দেখব। সম্ভাব্য তথ্য থাকলে আমাদেরকে দেবেন। এক্ষেত্রে আপনার পরিচয় গোপন রাখা হবে। আমি আপনাদের সবচেয়ে আস্থার মানুষ হতে চাই।’

jagonews24

তিনি আরও বলেন, ‘মসজিদে কথা বলার কারণ হচ্ছে, এখানে কথা বললে সবাই শোনেন। আমার স্বপ্ন, আমি যেখানে যাই সেখানের ভালো মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক করি। এখানে সমাজের বিভিন্ন ধরনের মানুষ উপস্থিত আছেন। অনেক জায়গায় দেখেছি, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি সেজে কতিপয় ব্যক্তি অবৈধ ব্যবসা কিংবা মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন। আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে এ ধরনের ব্যক্তিদের গ্রেফতার করছি। এ রকম ব্যক্তি এখানে থাকলে সতর্ক হয়ে যেতে পারেন।’

ইভটিজিংয়ের বিষয়ে পবিত্র হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে ওসি বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন- তোমরা রাস্তায় বসো না। রাস্তায় যদি বসো তবে রাস্তার হক আদায় করতে হবে। এক্ষেত্রে সালাম দিতে হবে এবং নিজেদের দৃষ্টি সংবরণ করতে হবে। কোনো মেয়ে দেখলে ইভটিজিং করা যাবে না।’

কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়ে মুরব্বিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘এখানে যারা বাবা আছেন, তারা নিজেদের সন্তান কোথায় যাচ্ছে একটু খেয়াল রাখবেন। আপনাদের অজান্তে ছেলেরা অনেক অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। একবার যদি বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, পরে তারা সেখান থেকে বের হতে পারে না।’

মসজিদ কমিটির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমি চাই এই মসজিদ কমিটি এলাকার মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে। আমি আর মুসল্লিরা মিলে চুক্তি করলাম এই এলাকা অপরাধমুক্ত হবে। আপনারা যেকোনো বিষয়ে আমার থানায় গিয়ে যোগাযোগ করবেন। আমার দরজা সব সময় উন্মুক্ত। আমি মসজিদে দাঁড়িয়ে বলছি, আমি আমার জানা মতে সর্বোচ্চ সততার সঙ্গে চলার চেষ্টা করি।’

এ সময় উপস্থিত সবাইকে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ অনলাইন বিভিন্ন মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর ক্ষেত্রে সতর্ক করেন।

jagonews24

নামাজ শেষে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডবলমুরিং থানার ওসি মহসিন বলেন, ‘আমি যেখানেই দায়িত্ব পালন করি সেখানে মসজিদভিত্তিক এ কর্মসূচিটা পালন করি। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উপকার হয় আমার। আমার নিজের মধ্যে নৈতিকতা বোধ কাজ করে। কারণ আমি মসজিদের মতো পবিত্র জায়গায় মুসল্লিদের সঙ্গে ওয়াদা করেছি। আমি যেখানে মসজিদে গেছি আর যেখানে যাইনি দুই জায়গার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য দেখতে পাই। মসজিদে যাওয়ার পর ওই এলাকার অপরাধীদের অনেকেই সতর্ক হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘একটি মসজিদে যাওয়ার পর ওই মসজিদের অনেকেই ওসিকে আস্থার মধ্যে নেন। তারপর তারা বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেন। শুধু মুসল্লিদের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে আমি চট্টগ্রামের বেশ কয়েকজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়াও নানামুখী পুলিশি সেবা সম্পর্কে প্রচার করতে পারি। আবার বিভিন্ন মানুষ আইনি বিষয় জেনে সচেতন হতে পারেন।’

মসজিদের খতিব আলহাজ মাওলানা মো. ইউনুস আশরাফী বলেন, ‘আজকে ওসি সাহেব আমাদের মসজিদে বিভিন্ন অপরাধের বিষয়গুলো ধর্মীয় ও আইনি দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে বিশ্লেষণ করেছেন। এটি চমৎকার বিষয়। আমি মনে করি- এর মাধ্যমে এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।’

জুমার পূর্বে ওসিদের এমন বক্তব্য দেয়া ধর্মীয়ভাবে কোনো প্রতিবন্ধকতা আছে কি-না জানতে চাইলে মাওলানা আশরাফী বলেন, ‘সমাজের কর্তা ব্যক্তিরা চাইলে সমসাময়িক বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করতে পারেন। এক্ষেত্রে ধর্মীয়ভাবে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই।’

মসজিদ কমিটির সভাপতি আবু জাফর ওরফে সেকু সরদার বলেন, ‘আজকে ওসি মহোদয় আসছেন। বিভিন্ন বিষয়ে কথাবার্তা বলেছেন। আমরা ওনাকে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, সেটি দেখছি। এটি পুলিশের চমৎকার একটি উদ্যোগ।’

মুসল্লি হাজি মনিরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের এলাকায় এমনিতেই মাদক ব্যবসায়ী বেশি। এই ওসি আসার খবরে কিছুটা কমেছে। আজকে তিনি মসজিদে এসে কথা বলার কারণে মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীরা আরও সতর্ক হবে বলে আশা করছি।’

jagonews24

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর জাগো নিউজকে বলেন, ‘মসজিদ একটি ধর্মীয় ও সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। এখানে বিভিন্ন পুলিশি সেবা ও আইনি সেবা প্রচার ভালো দিক। আমরা এটিকে নিয়ে আরও বড় পরিসরে কাজ করার চিন্তা করছি।’

জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরে ওসি মোহাম্মদ মহসিন মসজিদ পুলিশিং কার্যক্রম শুরু করেন ২০১৩ সালের ৯ আগস্ট। সেদিন নগরের বাকলিয়া থানার ওসি হিসেবে তিনি কামাল ইসকে মোস্তফা (সা.) মসজিদে জুমার দিন খুতবার আগে বক্তব্য রাখেন মুসল্লিদের উদ্দেশে। কথা বলেন সেই সময়ের আলোচিত জঙ্গি ইস্যু নিয়ে। তিনি ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের কাছে জঙ্গিবাদের দুনিয়াবি কুফলের পাশাপাশি আখিরাতের কুফল তুলে ধরেন।

কামালে ইসকে মোস্তফা (সা.) ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ও ওই মসজিদের খতিব তোয়াহা মো. মুদ্দাচ্ছির জাগো নিউজকে বলেন, ‘২০১৩ সালের বাকলিয়া থানায় দায়িত্ব পালনকালে একাধিকবার ওসি মহসিন আমাদের মসজিদে ও মাদরাসায় এসেছিলেন। তৎকালীন সময়ে পুরো দেশজুড়ে আলোচিত জঙ্গিবাদের বিষয়ে তিনি ধর্মীয় ও আইনের আলোকে একাধিকবার বক্তব্য দেন। কখনো জুমার নামাজে মুসল্লিদের আবার কখনো মাদরাসার ছাত্রদের জঙ্গিবাদের বিষয়ে সচেতন করেছেন।’

জানা গেছে, বাকলিয়ার পর মোহাম্মদ মহসিন ওসির দায়িত্ব পালন করেছেন বায়েজিদ বোস্তামী থানায়। তারপর নগরের কোতোয়ালি হয়ে এখন দায়িত্ব পালন করছেন ডবলমুরিং থানায়। দায়িত্ব পালনকালীন প্রত্যেক থানার মসজিদে মসজিদে ছুটে গেছেন তিনি। জুমার আগে তার এসব বক্তব্যে কখনো ওঠে এসেছে মাদকের ভয়াবহতা, আবার কখনো কিশোর গ্যাং, মা-বাবার সেবা এবং জঙ্গিবাদসহ নানা সমসাময়িক ইস্যু।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওসির এ ব্যতিক্রমী প্রচারে নানা শ্রেণি পেশার মানুষ সচেতন হয়েছেন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দূরত্ব কমেছে পুলিশের। ফলে মানুষ পুলিশকে নির্ভয়ে তথ্য দিয়েছেন অপরাধীর। এর মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়েছে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আধুনিক বিশ্বের পুলিশিং ব্যবস্থা।

আবার দেশের মানুষ স্বাভাবিকভাবেই ধর্মভীরু। জুমার দিনে মুসলিম ধর্মাবলম্বী সবাই মসজিদে যায়। একজন পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি দেখে একদিকে অপরাধীরা সতর্ক হয়। অন্যদিকে সাধারণ মুসল্লিরা আস্থার সঙ্গে পুলিশকে তথ্য দিতে পারেন।

মসজিদভিত্তিক পুলিশের এমন কর্মকাণ্ড নিয়ে জাগো নিউজ কথা বলে চট্টগ্রামের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের কার্যকারিতার বিষয়টি ছাড়াও আইনিভাবে প্রতিবন্ধকতা আছে কি-না জানতে চাওয়া হয় আইনজ্ঞদের কাছে।

তারা বলেন, এই ধরনের পুলিশি ব্যবস্থা অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন বাস্তবায়নে খুব কার্যকর। এক্ষেত্রে আইনের কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। তবে এটি এখনও সীমিত পরিসরে করা হচ্ছে। কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিচ্ছিন্নভাবে করা হচ্ছে। পুলিশের নীতিনির্ধারকদের উচিৎ এটিকে অফিসিয়ালি স্বীকৃতি দিয়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া। তবেই কিশোর গ্যাং, মাদক ও জঙ্গিবাদসহ বড় সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সহজ হবে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট অপরাধ বিজ্ঞানী ড. ইফতেখার উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘মসজিদ পুলিশিং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এটি এখনও খুব স্বল্প পরিসরে হচ্ছে। কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে। পুলিশের অফিসিয়ালি নিয়ম করে এটি চালু করা উচিৎ। এ বিষয়ে আমি পত্রিকায় কলামও লিখেছি। জেলা কিংবা মহানগর ইউনিটে পুলিশ আলাদা কমিটি করবে। যে কমিটিতে পুলিশ সদস্যের বাইরে সমাজের আইনজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিরা থাকবেন। একই সঙ্গে প্রতিভাবান প্রকৃত আলেমরাও ওই কমিটির সদস্য হবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষদের নিয়ে গঠিত ওই কমিটি জুমার আগে বসে দেশের সাম্প্রতিক আলোচিত সমস্যাকে চিহ্নিত করবেন। এসব সমস্যার আইনি ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবেন। পরে জুমার দিনে সংশ্লিষ্ট মসজিদের আলেম কিংবা পুলিশ কর্মকর্তারা বিষয়টি সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করবেন। এভাবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে আমার মনে হয়।’

চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আইন যত বেশি মানুষের কাছে তুলে ধরা যায়, তত বেশি বাস্তবায়ন করা যায়। এক্ষেত্রে পুলিশ মাইকিং করে পথে পথে জনসাধারণকে সচেতন করে। এটি ভালো দিক। আবার বিভিন্ন মসজিদে কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রচার করে। যদি ধর্মীয়ভাবে কোনো সমস্যা না থাকে তবে এটির মাধ্যমে আইনের বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়।’

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আ হ ম জিয়া উদ্দিন বলেন, ‌‘আমাদের দেশে অনেক মানুষ প্রচলিত আইন সম্পর্কে অবগত নন। পুলিশ যদি আইনের বিষয়ে বিভিন্ন মসজিদে প্রচার করে। এর মাধ্যমে পুলিশ বিভিন্ন জনস্বার্থ বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করে তুলতে পারে। আবার মসজিদে পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত হলে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ পুলিশকে তথ্য দিতে উদ্বুদ্ধ হন। এর মাধ্যমে পুলিশ অপরাধীর তথ্য পায়, যার কারণে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। যেমন- কিশোর গ্যাং, মাদকসহ গুরুতর সামাজিক অপরাধ মসজিদে প্রচারের মাধ্যমে পুলিশ তথ্য সংগ্রহ করে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এখনও মসজিদ পুলিশিং মাত্র কয়েকজন কর্মকর্তারা করে থাকেন। এটি নিয়ে পুলিশ বড় পরিসরে কাজ করতে পারে।’

মসজিদ পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে আইনি কোনো প্রতিবন্ধকতা আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আইনের প্রতিবন্ধকতা থাকবে কেন? আইন বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে প্রচার করা। যত বেশি প্রচার করা যায়, তত ভালো। পুলিশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণি পেশার মানুষ আসেন। কিন্তু মসজিদে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের বেশিরভাগ লোকই উপস্থিত হন। পুলিশের কথায় অপরাধীরা সচেতন হয়, বিশিষ্ট ব্যক্তিরা পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন।’

এআরএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]