‘মন্দিরভিত্তিক গণশিক্ষা কার্যক্রম উন্নয়ন-অগ্রগতি ত্বরান্বিত করবে’

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৩:৩৩ পিএম, ১৭ জুন ২০২১
ফাইল ছবি

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, ‘মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম দেশের শিক্ষার হার বৃদ্ধি ও সমৃদ্ধশালী জাতি গঠনে আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে। অদূর ভবিষ্যতেও মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে।’

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) ধর্ম মন্ত্রনালয়ের হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলন-২০২১-এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, ‘এটি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একটি অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প। হিন্দু অধ্যুষিত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষার হার বৃদ্ধি ও সচেতনতা সৃষ্টিতে এ প্রকল্পটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। মাঠপর্য়ায়ে এ প্রকল্পের আবেদন ও গ্রহণযোগ্যতা অনস্বীকার্য।’এ প্রকল্পকে সামনে এগিয়ে নিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় সর্বাত্মক সহায়তা ও উৎসাহ প্রদান করবে।’

মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব রনজিত কুমার দাসের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রনালয় সচিব নুরুল ইসলাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত পাল, সচিব ড. দিলীপ কুমার ঘোষ, বিএসএমএমইউ-এর সাবেক উপাচার্য প্রাণ গোপাল দত্ত, সিনিয়র সাংবাদিক শ্যামল সরকার প্রমুখ।

ধর্মসচিব নুরুল ইসলাম পিএইচডি বলেন, সফলভাবে পরিচালিত মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমকে আরো এগিয়ে নিতে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হবে।

জাতীয় এ সম্মেলনে দেশের ৬৪ জেলা থেকে মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের নেতারা অংশ নেন।

এমইউ/এএএইচ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]