বিধিনিষেধ ও বৈরি আবহাওয়ায় জনশূন্য পতেঙ্গা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৩ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২১

সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ ও বৈরি আবহাওয়ায় ছুটির দিনেও জনশূন্য ছিল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকা। সাধারণত বিধিনিষেধ চলাকালীন সময়ে সৈকতে জনসমাগম নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু মানুষ ছুটে যায় সেখানে।

কিন্তু শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ছুটির দিনে সৈকতের মূল পয়েন্টে বাতাস এবং সমুদ্রের ঢেউয়ের গর্জন ছাড়া যেন কোনো শব্দই শোনা যাচ্ছিল না।

সরেজমিন দেখা যায়, সৈকতের মূল পয়েন্টের তিন প্রবেশমুখে দেয়া হয়েছে ব্যারিকেড। সৈকত এলাকায় বসানো একটি বক্স থেকে জনসমাগমের বিষয়টি তদারকি করছেন টুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা। এ সময় জনশূন্য ও নীরব দেখা যায় সৈকত এলাকা।

বৈরি আবহাওয়ায় সৈকতে বাতাসের গতিবেগ ছিল একটু বেশি। বৃষ্টি ও মৌসুমি কারণে সমুদ্রে জোয়ারের পানির উচ্চতাও ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। মূল সৈকত থেকে আউটার রিং রোড ধরে সীতাকুণ্ডের দিকে যেতে খেঁজুরতলা ও তার আশপাশের এলাকায় কিছু তরুণদের ফুটবল খেলতে দেখা গেছে।

jagonews24

চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ হারুন অর রশিদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘সাধারণত জুলাই-আগস্ট মাসে সমুদ্রে জোয়ারের পানির উচ্চতা একটু বেশি থাকে। তার সঙ্গে বৃষ্টির পানি যোগ হওয়ায় উচ্চতা আরও বেশি হয়েছে। আজ (শুক্রবার) জোয়ারের পানির সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল ৪ দশমিক ২৭ মিটার।‘

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামে সন্ধ্যা থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়েছে ১১৬ দশমিক ৬ মিলিমিটার। সমুদ্রবন্দর এলাকায় সতর্ক সঙ্কেত নামানো হয়েছে।

বিকেল ৫টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টা চট্টগ্রামে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। ভারি বৃষ্টিপাতে কোথাও কোথাও পাহাড় ধস হতে পারে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

পতেঙ্গা সাব-জোন টুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ (পরিদর্শক) এনামুল হক শিমুল জাগো নিউজকে বলেন, ‘বৃষ্টিপাত ও বৈরি আবহাওয়ায় আজ (শুক্রবার) সৈকত এলাকায় তেমন লোকজন আসেননি। অবশ্য লকডাউন শুরুর পর থেকে সরকারের নির্দেশনায় আমরা সৈকতে কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছি না। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে টুরিস্ট পুলিশ সৈকত এলাকায় পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করেছে।’

মিজানুর রহমান/এএএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]