নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আসছে ৭৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৯ পিএম, ২৪ আগস্ট ২০২১

নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৭৬৬ দশমিক ৬৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) অনলাইনে আন্তর্জাতিক সৌর জোটের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিটির তৃতীয় সভায় বক্তব্যকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির দ্রুত প্রসারে গবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে একক সমন্বিত পদ্ধতি অবলম্বন করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জমি, বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্থাপন মূল্য, সাশ্রয়ী মূল্যের স্টোরেজ সিস্টেম ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। এতো প্রতিবন্ধকতা পেরিয়েও বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৭৬৬ দশমিক ৬৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে বিদ্যুতায়নের আওতায় আনতে সোলার হোম সিস্টেম ও সোলার মিনি গ্রিড প্রোগ্রামের মতো কিছু উদ্ভাবনী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। সোলার হোম সিস্টেম প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে বাংলাদেশ অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ছয় মিলিয়ন সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশকে বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।’

‘জমি স্বল্পতার জন্য বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন বেশ দুষ্কর। এ কারণেই ভাসমান সৌর ও ছাদ সৌর এর মতো সমাধানগুলোর দিকে যেতে হচ্ছে। ছাদে সৌরবিদ্যুৎকে উৎসাহিত করার জন্য নেট মিটারিং নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।’

আন্তর্জাতিক সৌর জোট (আইএসএ) একটি কর্মমুখী, সদস্য চালিত বর্ধিত সহযোগী প্ল্যাটফর্ম, যা সৌরশক্তি প্রযুক্তি স্থাপন, শক্তির নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শক্তির অ্যাক্সেস উন্নত করতে সহায়তা করে। সৌর জোটের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিটির তৃতীয় সভায় পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা, ‘ওয়ান সান ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান গ্রিড’ উদ্যোগের অগ্রগতি, ২০৩০ সালের মধ্যে সৌর বিনিয়োগে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহের জন্য রোডম্যাপ ইত্যাদি আলোচনা করা হয়।

আন্তর্জাতিক সৌর জোটের মহাপরিচালক অজয় মাথুরের সভাপতিত্বে সভায় অস্ট্রেলিয়ার জ্বালানি ও নিঃসরণ হ্রাস মন্ত্রী অ্যাঙ্গাস টেলর, কম্বোডিয়া কিংডমের খনি ও জ্বালানিমন্ত্রী সুই সেম, ভারতের বিদ্যুৎ এবং নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিমন্ত্রী আর কে সিং, মালদ্বীপের পরিবেশ ও জ্বালানিমন্ত্রী হুসাইন রাশেদ হাসান ও ওমানের পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালেম বিন আল-তোবি সংযুক্ত থেকে বক্তব্য দেন।

আরএমএম/এআরএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]