বয়স বাড়িয়ে চাকরি, ১৭ বছর পর দুদকের জালে উচ্চমান সহকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:২৫ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের উচ্চমান সহকারী মো. হাবিবুরের বিরুদ্ধে জাল সনদে সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিম।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক ফকরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন একটি এনফোর্সমেন্ট টিম স্কুলটিতে অভিযান চালায়। এ সময় সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য রেকর্ড ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযোগে সত্যতা পায় দলটি।

এ তথ্য জানান দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক।

দুদক জানায়, অভিযুক্ত মো. হাবিবুর ২০০৪ সালের অক্টোবরে অষ্টম শ্রেণি পাসের সনদ দিয়ে অফিস সহায়ক (এমএলএসএস) পদে চাকরি নেন। সেই সনদে তার জন্ম তারিখ ছিল ১৯৮৫ সালের ২২ নভেম্বর। তবে দুদকের প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, অভিযুক্তের এসএসসি সনদ অনুযায়ী তার প্রকৃত জন্ম তারিখ ১৯৮৬ সালের ২২ নভেম্বর।

এসএসসির সনদ অনুযায়ী চাকরিতে যোগদানের তারিখে তার বয়স ছিল ১৭ বছর ১১ মাস ৬ দিন। এতে করে সরকারি চাকরি নেওয়ার ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর না হওয়া সত্ত্বেও প্রতারণা করে চাকরি নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়। মো. হাবিবুর পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে উচ্চমান সহকারী হিসেবে আছেন।

দুদক টিম জানায়, এ ঘটনার প্রকৃত সত্যতা উদঘাটনের জন্য আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেবেন তারা।

এদিন, এনফোর্সমেন্ট ইউনিটে মোট ১৭টি অভিযোগের বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে দুদক। যার মধ্যে দু’টি অভিযান রয়েছে। আর ১৫টি দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক।

এর মধ্যে শরীয়তপুরের স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণে সরকারি বরাদ্দ করা অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ করেছে এনফোর্সমেন্ট টিম।

এসএম/এমআরআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]