রিগ্যান হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চায় পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০৯ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

গুলশান-২ নম্বর এলাকার মুদিখানা দোকানের কর্মচারী রিগ্যান রোজারিও হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানিয়েছে তার পরিবার ও স্বজনরা।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রিগানের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তার বড় বোন কান্নায় ভেঙে পড়েন।

jagonews24

রিগানের বড় ভাই জনি রোজারিও জাগো নিউজকে বলেন, আমরা কিছুই জানি না। শুধু ভাই হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও সর্বোচ্চ বিচার চাই। পুলিশের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। আমরা এই মামলায় কোনো অবহেলা পুলিশের দেখিনি। আমার ভাই হত্যার বিচার যেন আটকে না থাকে এবং আমাদের মতো কেউ যেন স্বজনহারা না হয়, তাই আমরা মানববন্ধন করে এর শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।

গুলশান-২ নম্বর এলাকার একটি মুদিখানা দোকানের কর্মচারী ছিলেন ২৬ বছরের যুবক রিগ্যান রোজারিও। থাকতেন নর্দ্দায় তার বোনের বাসায়। গত ২৭ আগস্ট কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরেননি তিনি। বোনকে ফোনে বাসায় ফিরবেন না বলে জানিয়েও দেন। এক বন্ধুর বাসায় দাওয়াতে যাবেন। পরদিন বাসায় না ফেরায় ফোন করে বন্ধ পাওয়া যায়। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। একদিন পর তার পরিচিত এক তরুণীর বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

jagonews24

এ ঘটনায় নিহতের বোন আলো রোজারিও বাদী হয়ে ভাটারা থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় ৩০ আগস্ট ভাটারা থানা পুলিশ নাটোর থেকে ওই তরুণী ও তার বাবাকে গ্রেফতার করে ঢাকায় আনে। রিমান্ডে নেওয়া হয় তাদের। তারা রিগ্যানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। তাদের দেওয়া তথ্যে বাবার বন্ধু সিরাজুল মোল্লাকে ভাটারা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি রিগ্যান হত্যাকাণ্ডে প্রিয়াঙ্কা ও জীবনকে সহযোগিতা করেছিলেন। পুলিশের ভাষ্য, ওই তরুণীর সঙ্গে রিগ্যানের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

এমআইএস/বিএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]