নদী দূষণকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:২৪ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে যারা নদী দূষণ করছে, তাদের তালিকা প্রকাশ করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলন।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বেলা ১১টায় ‘মানুষের জন্য নদী, নদী রক্ষায় আমরা’ স্লোগানে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এ দাবি জানান।

সভায় বক্তারা বলেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা, কর্ণফুলিসহ অসংখ্য নদীতীরবর্তী লাখো মানুষ, প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য নদী দূষণের শিকার। ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে বসবাসকারী প্রত্যেকেই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ দূষণের শিকার হচ্ছে। অধিকাংশ রপ্তানীমুখী শিল্পকারখানা প্রধানত এ দূষণের জন্য দায়ী। তাই অপ্রিয় হলেও সত্য যে, আমাদের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে দূষণের ওপর। আমরা এটার নিরসন চাই।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন প্রতিষ্ঠা হলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি একেবারে নিশ্চুপ মন্তব্য করে বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় এর কার্যক্রমকে আরও জোরালো করা এখন সময়ের দাবি। এজন্য ‘নদী কূটনীতি’ যেমন বেগবান করতে হবে, তেমনই পরিধি বাড়িয়ে নেপাল ও চীনকে এর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

river-3.jpg

সভায় এরইমধ্যে যে নদীগুলো দূষিত হয়েছে এবং যেটির তলদেশে ১০-১২ ফুট পর্যন্ত ক্ষতিকর ধাতুর কঠিন স্তর পড়েছে সেগুলো অবিলম্বে দূর করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান বক্তারা।

বাংলাদেশ নদী বঁচাও আন্দোলনের সভাপতি মো. আনোয়ার সাদতের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান এ এস এম আলী কবীর, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহার আহমেদ, কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, বিআইডাব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক, পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম জোনের প্রধান প্রকৌশলী অখিল কুমার প্রমুখ।

এমআইএস/ইউএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]