‘সরকারি ভবনে অকারণে বেশি লাইট-এসি চালু রাখা হয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:০২ এএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী বলেছেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্ত আছে এসির তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রিতে রাখার। কিন্তু আমরা সচেতন না। ঘরে কেউ না থাকলেও এসি চালু এবং লাইট জ্বালিয়ে রাখি। সরকারি ভবনেই অকারণে এমনটা করতে বেশি দেখা যায়।’

রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) ‘এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার’ আয়োজিত ‘এনার্জি এফিসিয়েন্সি ইন পাবলিক বিল্ডিংস’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এসব কথা বলেন।

ড. তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদাহরণ অনুসরণ করে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে নিজ হাতে এসি ও লাইটের সুইচ বন্ধ করতে হবে। এসির ক্ষেত্রে সরকারি সিদ্ধান্ত মানলে এবং অকারণে বাল্ব না জ্বালিয়ে রাখলে এমনিতেই বিদ্যুৎ খরচ কমে যাবে। ব্যক্তিগত অভ্যাস দিয়ে ৫০ ভাগ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হওয়া সম্ভব।

ভবনে জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পাইলটিং করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুতের সুইচ বন্ধ হয়ে যায় এমন প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়াতে হবে। এসির তাপমাত্রা যেন ২৮ ডিগ্রির নিচে না নামানো যায়, এমন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করতে হবে।’

ড. তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী আরও বলেন, ‘এনার্জি এফিশিয়েন্সি নিয়ে কারিগরি বিষয়ে সমাধান ধাপে ধাপে করতে হবে। যেমন ২০১০ সালে আমাদের উদ্যোগে সারাদেশে প্রায় দেড় কোটি সিএফএল বাল্ব বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছিল। আসলে সচেতনতা তৈরি করতেই এমন উদ্যোগ। যদিও বাল্বের মান নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছিল।’

মোল্লাহ আমজাদ হোসেনের সঞ্চালনায় এ ভার্চুয়াল আলোচনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত সচিব ও সাসটেনেবল অ্যান্ড রিনিয়েবল এনার্জি ডেভলপমেন্ট অথরিটির (স্রেডা) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. সাইফুল্লাহিল আজম।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেড্রার সদস্য (এনার্জি এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড কনজারভেশন) ফারজানা মমতাজ। প্যানেলিস্ট হিসাবে আলোচনায় অংশ নেন বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. জহরুল হক এবং গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল হক।

এমআইএস/এএএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]