বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস পালিত

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:২৬ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

‘জলাতঙ্ক: ভয় নয়, সচেতনতায় জয়’ প্রতিপাদ্যে দেশে পালিত হলো ‘বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস-২০২১’। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়িতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির শুরুতে জলাতঙ্ক সচেতনতাবিষয়ক একটি শোভাযাত্রা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে শুরু হয়ে খামারবাড়ি মোড়ে এসে শেষ হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্যদপ্তর, প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী জলাতঙ্কের ওপর বিভিন্ন সচেতনামূলক লেখাযুক্ত প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও ব্যানার হাতে নিয়ে শোভাযাত্রা প্রদক্ষিণ করেন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমান শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্যদপ্তর দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় জলাতঙ্কের ওপর সচেতনতামূলক লিফলেট ও পোস্টার বিতরণ করে।

বৈজ্ঞানিক সেমিনারে জলাতঙ্ক রোগ ও তা নিরাময়ে করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এতে বক্তারা জলাতঙ্ক প্রতিরোধে কুকুরকে টিকা দেওয়া ও ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আবু সুফিয়ান। পরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্কমুক্ত বিশ্ব গড়তে হবে। বৈশ্বিক উদ্যোগের অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশও ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জলাতঙ্ক রোগ নির্মূল করার লক্ষ্যে জুনোটিক ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম, সিডিসি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিজ্ঞানভিত্তিক কর্মকৌশলের মাধ্যমে এই অবহেলিত রোগটির বিরুদ্ধে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প হাতে নিয়েছে এবং বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর ফলে জলাতঙ্কজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২০০৯ সালে প্রায় দুই হাজার থেকে কমে ২০২১ সালে ৩০ এ নেমে এসেছে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফ্লেমিং ফান্ড কান্ট্রি প্রোগ্রাম বাংলাদেশের প্রোগ্রাম লিড ড. নীতিশ চন্দ্র দেবনাথ। উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. আইনুল হক ও ডা. ঘীরেশ রঞ্জন ভৈৗমিক, তথ্যদপ্তরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. এনামুল কবিরসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তারা।

এমইউ/বিএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]