‘প্রধানমন্ত্রীর জন্ম না হলে আজকের বাংলাদেশ পেতাম না’

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৪১ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ/ফাইল ছবি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্ম না হলে আমরা আজকের বাংলাদেশ পেতাম না। শেখ হাসিনা না থাকলে আজ এদেশ হতো পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা অন্য কোনো সন্ত্রাসের জনপদ। তিনি বেঁচে থাকায় আর সেটা হয়নি।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে বিএসএমএমইউ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। আজ আমাদের বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে উন্নয়নের এক রোল মডেল। আর যার হাত ধরে এই অভিযাত্রা তিনিই আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু যে শিশুকে জন্ম দিয়ে অকালে চলে গেছেন, তার সেই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা পরিবারের সবকিছু হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে বাংলাদেশকে বিশ্বে দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়েছেন। তাই জন্মের জন্য বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর কাছে, আর অস্তিত্বের জন্য শেখ হাসিনার কাছে চিরঋণী।

অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, সব হারিয়েও যিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সাফল্যের সর্বোচ্চ চূড়ায়, বর্ণাঢ্য সেই সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ ঘটেছে। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নীতি সংক্রান্ত কমিটি বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭৩ বছরে উন্নীত হয়েছে। মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হার হ্রাস পেয়েছে। সীমাবদ্ধ সম্পদ ও বিপুল জনগোষ্ঠী নিয়ে এ অর্জন যে প্রশংসনীয় ব্যাপার তা জাতীয়সহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সবাই স্বীকার করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ব্লকের নিচ তলায় ইমার্জেন্সি ল্যাবরেটরির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। এর আগে উপাচার্য এফ ব্লকে অনুষ্ঠিত অটিস্টিক শিশুদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। পরে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বনজ, ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণ করেন।

এরপর বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ব্লক অডিটোরিয়ামে শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দেশের অগ্রগতি, উন্নয়ন ও প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য, শতায়ু কামনায় মিলাদ মাহফিল হয়।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, ডেন্টাল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল, শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শাহিন আকতার, নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, বিএসএমএমইউয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ডা. এসএম মোস্তফা জামান, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী, পরিচালক (হাসপাতাল) বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. নজরুল ইসলাম খান, শিশু কিডনি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আফরোজা বেগম, ল্যাবরেটরি মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. দেবতোষ পাল, ল্যাবরেটরি মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. কুদ্দুস-উর-রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ডা. আরিফুল ইসলাম জোয়ারদার টিটো, সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ডা. ইন্দ্রজিত কুমার কুন্ডু, সহকারী প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. ফারুক হোসেন, মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়ক সহকারী অধ্যাপক ডা. এসএম ইয়ার-ই-মাহাবুব, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. পবিত্র কুমার দেবনাথসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

এমইউ/এমআরআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]