বিদেশে ‘পালিয়েছেন’ সহকারী স্থপতি, হলেন চাকরিচ্যুত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৪৭ এএম, ১৪ অক্টোবর ২০২১

যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে গিয়েছিলেন স্থাপত্য অধিদপ্তরের সহকারী স্থপতি পংকজ কান্তি দাশ। এরপর আর ফেরেননি। তাই ‘পলায়নের’ অভিযোগে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

গত ১১ অক্টোবর পংকজ কান্তি দাশকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পংকজ কান্তি দাশ স্থাপত্য অধিদপ্তরের সহকারী স্থপতি পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নের জন্য ২০১৫ সালের ৫ ডিসেম্বর থেকে ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই বছরের জন্য বিনা বেতনে অসাধারণ ছুটি মঞ্জুর করা হয়। মঞ্জুর করা ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি তিনি আবারও এক বছরের ছুটি বাড়ানোর আবেদন করেন, যা কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করেনি।

এতে আরও বলা হয়, মঞ্জুরকৃত শিক্ষাছুটির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার পরও কর্মস্থলে যোগদান না করায় তার বিরুদ্ধে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর বিধি-৩ এর উপবিধি (গ) মোতাবেক ‘ডিজারশন’ বা ‘পলায়ন’ এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

‘তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি এর জবাব দেননি। বিভাগীয় মামলাটি তদন্ত করতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব তারিক হাসানকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তার দাখিল করা প্রতিবেদনে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা ‘ডিজারশন’ বা ‘পলায়ন’ এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়।’

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের মতামত ও বিভাগীয় মামলার সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রসহ প্রাসঙ্গিক সব বিষয় পর্যালোচনা করে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর বিধি ৪ এর উপবিধি ৩ এর (ঘ) অনুযায়ী পংকজ কান্তি দাশকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। একই সঙ্গে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে রাষ্ট্রপতি পংকজ কান্তি দাশকে বরখাস্ত করার গুরুদণ্ড দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

আরএমএম/বিএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]