পল্লবীর পুরোনো ভিডিও নোয়াখালীর সাম্প্রদায়িক ঘটনা বলে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০১ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২১

গত ১৬ মে রাজধানীর পল্লবীর ১২ নম্বর সেকশনের ৩১ নম্বর রোডে শিশুসন্তানের সামনে শাহীন উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোয়াখালীর যতন সাহা হত্যাকাণ্ড বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এলিট ফোর্স র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমন্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বার্থান্বেষী মহল মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে উসকানিমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে তারা। গত ১৬ মে রাজধানীর পল্লবীতে নৃশংসভাবে শাহীন নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তখন ভাইরাল হয়। সেই হত্যাকাণ্ডের মূলহোতাসহ আসামিরা বর্তমানে কারাগারে।

'কিন্তু বর্তমানে একটি কুচক্রীমহল পল্লবীর সেই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজকে ছড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, নোয়াখালীর যতন সাহাকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক ও ন্যক্কারজনক, যা অমানবিকও বটে। অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।'

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন আরও বলেন, গত ১২ অক্টোবর ভারতের ত্রিপুরার কমলপুর এলাকার পূজামণ্ডপ ও দোকানপাটে আগুনের ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজকে রংপুরের পীরগঞ্জের হিন্দুবাড়িতে আগুন দেওয়ার ভিডিও বলে অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে চক্রান্তকারীরা। এছাড়াও দেড় বছরের আগের বিভিন্ন ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনা বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এমন উসকানিমূলক বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে র্যাবের সাইবার নজরদারি ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে গুজব ছড়ানো ও উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে র্যাব কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সচেষ্ট থাকবে বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।

টিটি/বিএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]