এক লাখ শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে সরিয়ে আনা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৩২ পিএম, ২৬ অক্টোবর ২০২১

ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে এক লাখ শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে সরিয়ে আনা হবে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মেলনকক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে নির্বাচিত ১১২টি এনজিও’র সঙ্গে শ্রম মন্ত্রণালয়ের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে এনজিওগুলোর নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। সকলের সহযোগিতায় আমরা ২০৩০ সালের আগেই শিশুশ্রমমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করতে পারবো। আমরা ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমমুক্ত করতে চাই। আপনি কর্মকে ফাঁকি দিলে কর্ম আপনাকে ফাঁকি দেবে। তাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদপ্তর, কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসককে প্রধান করে মনিটরিং কমিটি করে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনের কাজ নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়েছে, ২৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে এক লাখ শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে সরিয়ে আনা হবে। তাদের উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের এ সময়ে শিশুর বাবা-মাকে মাসিক সম্মানি দেওয়া হবে এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী শিশুদের স্বাবলম্বী করতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহীর সভাপতিত্বে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. সেলিনা আকতার ও প্রকল্প পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন এবং এনজিও প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে দুজন প্রতিনিধি বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর সামনে এনজিওগুলোর পক্ষ থেকে বিয়ানমনি সোসাইটির চেয়ারম্যান বেগম নাজনীন ইসলাম চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। পরে এনজিওগুলোর পক্ষে নিজ নিজ প্রতিনিধি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

আইএইচআর/ইএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]