কাঙ্ক্ষিত বনভূমি সৃজনে জনসাধারণকে এগিয়ে আসতে হবে

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৩৩ এএম, ২১ নভেম্বর ২০২১
ফাইল ছবি

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে দেশে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ বনভূমির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হবে।

তিনি বলেন, একটি দেশের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন, যেখানে বাংলাদেশে বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমি আছে মোট ভূমির ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। পতিত জমিতে, সাগরে জেগে ওঠা নতুন চর ও উপকূলীয় এলাকায় বনায়ন করে লক্ষ্যমাত্রার অবশিষ্টাংশ পূরণ করা হবে।

শনিবার (২০ নভেম্বর) মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উচ্চফলনশীল জাতের ধান বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, শুধু সরকারের একার পক্ষে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ বনভূমি সৃজন কষ্টসাধ্য বিধায় জনসাধারণকে এগিয়ে আসতে হবে। বাড়ির আনাচে-কানাচে, খোলা জায়গায়, পতিত জমিতে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, এর যথাযথভাবে পরিচর্যা করতে হবে। কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ বনভূমি সৃষ্টি করতে পারলে আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, বড়লেখা পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. তাজ উদ্দীন প্রমুখ।

এ কর্মসূচির আওতায় বড়লেখা উপজেলায় সাড়ে তিন হাজার কৃষকের মাঝে এক বিঘা জমির জন্য দুই কেজি করে উচ্চফলনশীল জাতের হাইব্রিড বোরো ধানের বীজ এবং ৮০০ কৃষকের মাঝে পাঁচ কেজি উচ্চফলনশীল বোরো ধান বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হবে।

এমইউ/বিএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]