বয়স ৪১ হলেই গার্মেন্টসে কাজ করা যায় না!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:১০ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০২১

শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষা হলে এবং শ্রমিকের সবকিছু ঠিক থাকলে উৎপাদনের অভাব হবে না। কিন্তু শ্রমিকদের ব্যবহার করা হচ্ছে। একজন লোক হারিয়ে গেলে ১০ জনকে পাওয়া যায়। এটাকে পুঁজি করেই আমাদের ওপর আইনের প্রয়োগ হচ্ছে না। একটা ভালো আইন এবং নিয়ম করা উচিত।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নীকাণ্ডের ৯ বছর উপলক্ষে শ্রশিকদের ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘কর্মজীবী নারী’র ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন ও র‍্যালিতে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা আরও বলেন, আপনারা দেখবেন, ৪১ বছরের ঊর্ধ্বে কোনো গার্মেন্টস শ্রমিক নেই। অর্থাৎ কাজ করার জন্য যে শারীরিক শক্তি, সেটা তারা হারিয়ে ফেলে। তাদের কোনো গার্মেন্টস চাকরিতে নেয় না। তারা চাকরি করতেও পারে না। যখন সে শ্রমিক থাকে না বা কাজ করতে পারে না, তখন তার জন্য কোনো ইন্সুরেন্সের ব্যবস্থাও থাকে না। চাকরি করার ক্ষেত্রে যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, কোনো কোনো সংগঠন হয়তো সেটার পেছনে থেকে কিছুটা আদায় করতে পারে, কিন্তু সাধারণভাবে কোনো শ্রমিকই জানে না যে, চাকরি চলে গেলে তারা কী খাবে ও কিভাবে দুর্ঘটনা থেকে তারা রক্ষা পাবে।

‘শ্রমিকদের মেরে’ গার্মেন্টস মালিকরা সুখে আছে মন্তব্য করে তারা বলেন, একটা নড়বড়ে রানা প্লাজা। এটা কাজের অনুপযুক্ত সেটা তারা কোনোভাবেই মেনে নিল না। এতগুলো মানুষ মারা যাওয়ার পরও তারা আইনের ফাঁকে বেঁচে আছে ভালোভাবে। তাদের তো কোটি কোটি টাকার ইন্সুরেন্স আছে। তাদের বায়ারদের সঙ্গে লেনদেন এবং বিভিন্ন সুবিধা আছে। এজন্য তারা নিশ্চিন্তে থাকে।

বাংলাদেশের গার্মেন্টসগুলোর সঙ্গে বিদেশের যেসব বায়ারদের লেনদেন আছে, শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত হয়ে সে লেনদেন করার আহ্বান জানান বক্তারা।

এমআইএস/এমএইচআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]