টাকা-স্বর্ণ চুরির পর পলায়ন, নিরাপত্তাকর্মীসহ গ্রেফতার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:২৯ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১
গ্রেফতার চারজনের মধ্যে দুইজন

রাজধানীর মুগদা এলাকার একটি বাসা থেকে নগদ ১৪ লাখ টাকা ও স্বর্ণ চুরির ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর চুরি যাওয়া ১৪ লাখ টাকার মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন- নিরাপত্তাকর্মী মো. সাব্বির রহমান, সাব্বিরের বড় ভাই জাবেদ, ছোট ভাই শামীম ও মো. ফয়সাল আহমেদ।

পুলিশ বলছে, নিরাপত্তাকর্মী সাব্বির রহমান ছোটবেলা থেকেই ওই বাসায় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। এরপর গত তিন বছর ধরে বিশ্বস্ততার কারণে তাকে বাসার নিরাপত্তাকর্মীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে সাব্বির সেখান থেকে নগদ ১৪ লাখ টাকা ও স্বর্ণ চুরি করে পালিয়ে যান।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রউফ বাহাদুর জাগো নিউজকে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গত ৩ নভেম্বর রাজধানী মুগদার মদিনাবাগের একটি বাসা থেকে একটি ব্রিফকেসে করে নগদ ১৪ লাখ টাকা ও সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যান সাব্বির। এ ঘটনায় মো. মবিনুর রহমান নামে একজন ৬ নভেম্বর বাদী হয়ে মুগদা থানায় বাসার নিরাপত্তাকর্মীসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আব্দুর রউফ বাহাদুর আরও বলেন, এএসআই রাজু আহমেদ, এএসআই হাবিবুর রহমানের সহযোগিতায় ও মুগদা থানার ওসির সার্বিক সহযোগিতায় মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ঢাকা ও কিশোরগঞ্জ জেলায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় সাব্বিরের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৬ লাখ ১৪ হাজার টাকা ও ফয়সাল আহমেদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

মামলার বাদী মবিনুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, সাব্বির রহমান পূর্ব পরিচিত হওয়ায় তাকে আমার শাশুড়ি বাসার নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে চাকরি দেন। সে গত তিন বছর ধরে আমার শাশুড়ির বাসায় নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে চাকরি করে আসছিল। নিরাপত্তাকর্মীর কাজের পাশাপাশি আমার শাশুড়ির বাসার অন্য সাংসারিক কাজগুলোও করে দিতো সাব্বির। সে বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে নগদ ১৪ লাখ টাকা ও সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যায়।

টিটি/এমআরআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]