গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আমিনুল বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫৮ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১

 ‘কাজ নিতে গেলে মন্ত্রণালয়ে পাঁচ পার্সেন্ট আগেই দিতে হয়’ এমন বক্তব্যের কারণে সিলেটের গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আমিনুল ইসলাম রাবেলকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের পৌর-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, যেহেতু আমিনুল ইসলাম রাবেল ছুটি নিয়ে বিদেশে গিয়ে গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট ফোরাম আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ সরকার এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের বিরুদ্ধে হানিকর ও রাষ্ট্রের জন্য হানিকর বক্তব্য দিয়েছেন।

যেহেতু, আপনার এ ধরনের জনহানিকর বক্তব্য স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩২ এর (খ) ও (ঘ) এর অপরাধে মেয়রের পদ হতে অপসারণযোগ্য অপরাধ; যেহেতু, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩১ (১) মোতাবেক যে ক্ষেত্রে কোনো পৌরসভার মেয়র অথবা কোনো কাউন্সিলর অপসারণের কার্যক্রম আরম্ভ করা হইয়াছে অথবা তাহার বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় অভিযোগপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় মেয়র অথবা কাউন্সিলর কর্তৃক ক্ষমতা প্রয়োগ পৌরসভার স্বার্থের পরিপন্থী অথবা প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন না হইলে, সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে মেয়র অথবা কাউন্সিলরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করিতে পারিবে।

যেহেতু, আপনি আমিনুল ইসলাম রাবেল, মেয়র, গোলাপগঞ্জ পৌরসভা, সিলেট স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩২ উপ-ধারা (খ) ও ১ (ঘ) মোতাবেক বাংলাদেশ সরকার এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের বিরুদ্ধে হানিকর ও জনহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় আপনার এহেন অপরাধমূলক কার্যক্রম পৌর পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থী মর্মে সরকার মনে করে; সেহেতু, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩১ (১) অনুযায়ী আপনি আমিনুল ইসলাম রাবেল, মেয়র, গোলাপগঞ্জ পৌরসভা, সিলেটকে গোলাপগঞ্জ পৌরসভার মেয়রের পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।

এ আদেশ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জারি করা হলো এবং ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

আইএইচআর/এমআরএম/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]