‘বাংলাদেশ-দ. কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:১৭ এএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২২
বিজিএমইএ সভাপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাঙ-কেউন

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাণিজ্য সুবিধা অর্জনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইলখাতে সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে বাণিজ্য সুবিধা নিতে পারে দেশ দুটি।

রোববার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিজিএমইএ পিআর অফিসে সংগঠনটির সভাপতি ফারুক হাসান এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাঙ-কেউনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিজিএমইএ সভাপতি এসব কথা বলেন

ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য ও বিনিয়োগে আরও সম্পৃক্ত হওয়ার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার বিশাল সুযোগ রয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি রাষ্ট্রদূত লি জ্যাঙ-কেউনকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে নন-কটন টেক্সটাইলখাত সহ অন্যান্য শিল্পখাতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

এসময় দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) ভিতরে অবস্থিত তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর জন্য নতুন বাজারে রপ্তানির বিপরীতে প্রণোদনা সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

ফারুক হাসান দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে বিজিএমইএ অফিস পরিদর্শন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহযোগিতা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ জানান।

এ সময় বিজিএমইএর সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি মিরান আলী, দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি লি জানগিউল এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

তারা বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো এবং দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের পথ প্রশস্ত করতে উভয় দেশ কিভাবে সহযোগিতা প্রদান করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেন।

ইএআর/কেএসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]