ঘাটতি মেটাতে আসছে নতুন লবণ নীতিমালা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৪ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২২
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম

ঘাটতি মেটাতে আসছে নতুন লবণ নীতিমালা। ‘জাতীয় লবণ নীতিমালা-২০২২’ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘এখন লবণ চাষের ক্ষেত্রে দক্ষিণাঞ্চল বিশেষ করে উপকূলীয় জেলাগুলোর অনেকগুলোয় ট্রেডিশনাল সিস্টেমে হচ্ছে, সেটার একটা মডিফিকেশন দরকার। মাতারবাড়ি, কক্সবাজার, পায়রায় বেশকিছু জায়গা ডেভেলপমেন্ট কাজে নিয়েছি। সেজন্য নতুন নতুন জায়গায় উদ্বোধন করা এবং নতুন টেকনোলজির মাধ্যমে আরও প্রোডাক্টটিভিটি ইফেকক্টিভ এবং বড় করার জন্য নীতিমালা নেওয়া হয়েছে।’

‘আশা করা হচ্ছে, ২০২০-২৫ মেয়াদি এই নীতিমালা বাস্তবায়ন করলে আমরা লবণ উৎপাদনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করবো এবং আমাদের লবণের ঘাটতি হবে না।’

jagonews24মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘২০২০-২৫ পর্যন্ত বার্ষিক লবণের খাতভিত্তিক লবণের চাহিদা নিরূপণ, পরিবেশবান্ধব উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, লবণচাষিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং স্বল্পসুদে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে। অপরিশোধিত লবণের মান এবং মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। ঈদুল আজহার সময় চামড়াগুলো যেন সংরক্ষণ করতে পারি সেজন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে লবণের ব্যবস্থা করতে হবে। গুণগত মান নিশ্চিত, আয়োডিন ঘাটতিজনিত রোগ প্রতিরোধে ভোজ্যলবণে আয়োডিনের পরিমাণ নিশ্চিত করতে হবে।’

আপদকালীনও বাফার স্টক রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। সেজন্য লবণশিল্প জরিপ করতে হবে। তার ফলের ভিত্তিতে পদক্ষেপগুলো নিতে হবে বলেও জানান খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

আরএমএম/বিএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]