শাবিপ্রবির সংকট নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার দাবি মহিলা পরিষদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫২ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২২
আমরণ অনশনে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে করেছেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে চলমান সংকট নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) অনলাইনে সংবাদ সম্মেলন করে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মডারেটর ছিলেন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম।

লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন শিক্ষা ও সংস্কৃতি উপ-পরিষদ সম্পাদক খুরশিদা ইমাম। প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ঘটনার বর্ণনা করেন সংগঠনের সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রওশন আরা মুকুল।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এসময় আমরণ অনশনরত শিক্ষার্থীদের জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে পরিষদের পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দমন-পীড়নের মাধ্যমে বন্ধ না করে আলোচনার মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়।

পরিষদের দাবিগুলো হলো—

>>অনশনরত শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের ক্ষয়-ক্ষতির আগেই জরুরি উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে হস্তক্ষেপ করতে হবে।

>>আন্দোলনরত ছাত্রীদের ওপর যারা হামলা করেছেন, তাদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

>>বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অব্যবস্থাপনা দূর করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

>>গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রেখে সব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের লক্ষ্যে আরও সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে।

>>আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অনশনরত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে সুষ্ঠু সমাধান করতে হবে। শিক্ষাঙ্গণে নৈরাজ্য বন্ধ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের অ্যাডভোকেসি পরিচালক জনা গোস্বামী।

এইচএস/এএএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]