‘বারবার চেয়েও বেগমপাড়ার বাড়ির মালিকদের তালিকা পাচ্ছি না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:০০ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২২

বারবার চেয়েও কারো কাছ থেকে কানাডার বেগমপাড়ায় সম্পদ গড়া প্রবাসী বাংলাদেশির তালিকা পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

কানাডার বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশিদের অবৈধ সম্পদের টাকায় গড়ে উঠেছে অভিজাত পল্লী। যা বেগমপাড়া নামেই পরিচিত। অর্থ পাচারকারীদের বেশিরভাগই আমলা, রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী। অর্থ পাচারকারীদের তালিকা ও তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে স্বপ্রণোদিত হয়ে ২০২০ সালের ২২ নভেম্বর রুল জারি করেছিলেন উচ্চ আদালত।

সে সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, কারা কানাডায় সম্পদ গড়েছেন তাদের কাছে তালিকা আছে। সে বছরই বিভিন্ন দেশে অর্থপাচার করে সম্পদ বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া বাংলাদেশিদের তালিকা চেয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় দুদক।

তালিকার বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘কানাডার বেগমপাড়ার দুর্নীতিবাজদের লিস্ট আমরা পাইনি, পাওয়ার কোনো ম্যাকানিজম আমাদের নেই। বেগমপাড়ায় কার কার বাড়ি আছে ওই তালিকা পাওয়ার ম্যাকানিজম আমাদের নেই।

মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, ‘ওনার (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) কাছে তালিকা আছে, বারবার চাওয়ার পর তো পাচ্ছি না। আমরা কীভাবে এগোবো। যেগুলো পেয়েছি সেগুলোর ওপর কাজ করছি। বেগমপাড়ার কোনো তালিকা আমাদের কেউ দেয়নি।’

তিনি বলেন, মানিলন্ডারিংয়ের তথ্য কোনো দেশ দিতে চায় না। কারণ টাকা সেই দেশে যাচ্ছে আর টাকাগুলো রাখার জন্যই তারা তথ্য দিচ্ছে না। বলছে, মামলা হলে তথ্য দেবে, কিন্তু মামলা করার জন্যই তথ্য দরকার। কোনো দেশই দিচ্ছে না। এ প্রতিকূলতা নিয়ে আমরা কাজ করছি। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা নিয়ে আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’

২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, কানাডায় টাকা পাচার করে বাড়িঘর বানিয়েছে এ রকম ২৮টি ঘটনা আছে। তবে, এর মধ্যে রাজনীতিবিদ মাত্র চারজন। অন্যরা সরকারি কর্মচারী ও পোশাক খাতের ব্যবসায়ী।

এসএম/এমএএইচ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]