অপচয়-দুর্নীতি আমাকে পীড়া দেয়: পরিকল্পনামন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৩৫ পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২২
বক্তৃতা করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ‘দুর্নীতি ও অপচয় আমাকে পীড়া দেয়। টানাটানির সংসারে আমি বেড়ে উঠেছি। খুব কাছ থেকে অভাব ও অনটন গভীরভাবে দেখেছি।’

এসময় তিনি দুর্নীতি ও অপচয় নিয়ে সাংবাদিকদের বেশি বেশি প্রতিবেদন করার অনুরোধ করেন মন্ত্রী।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের (ডিজেএফবি) দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন ২০২২’ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমার রুমে দুটি টেলিভিশন কেনা। সোফা সেটও অনেক দামি। এগুলো আমাকে পীড়া দেয়। অপচয় ও দুর্নীতি নিয়ে বেশি তুলে ধরা দরকার। পাবলিক আমাদের আসল প্রভু। তথ্য প্রকাশ হলে অপচয় ও দুর্নীতিতে লিপ্ত হতে অনেকে ভয় পাবেন।’

ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলসে শিক্ষা সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘একজন কর্মকর্তা ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলসে পাঁচদিনের শিক্ষা সফরে যাবেন। আমার কাছে অনুমতি নিতে এসেছেন। ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলস কীভাবে পাঁচদিনের শিক্ষা সফর হয়। এটাও এক ধরনের অপচয়। ব্রিটিশরা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতে এসব ভাইরাস ছড়িয়ে গেছে।’

M-A-MANNAN-1.jpg

এম এ মান্না বলেন, ‘দরিদ্র মানুষ সে যেই হোক, স্যানিটেশন সুবিধা দিতে হবে। আমি দরিদ্র পরিবার থেকে এসেছি। কৃষক-মজুরদের প্রতি অবিচার হচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক মুক্তি ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।’

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, ‘অপচয় ও দুর্নীতির উৎস প্রকল্পগুলো। অনেকে আমার এলাকায় মুজিব কেল্লা বানাতে চায়। নানান কারণে আমি না করেছি। প্রকল্প ম্যানেজমেন্টে ইম্প্রুভমেন্ট হতে হবে। যেন-তেন প্রকল্প নেওয়া যাবে না।’

ডিজেএফবি’র সভাপতি ইংরেজি দৈনিক দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের হুমায়ুন কবীর, সাধারণ সম্পাদক দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার আরিফুর রহমান, সহ-সভাপতি যুগান্তরের হামিদ-উজ-জামান প্রমুখ।

এমওএস/এএএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]