দুই দোকানে মিললো সাড়ে ১২ হাজার লিটার ভোজ্যতেল, আগের দামে বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:২৭ পিএম, ১১ মে ২০২২
ভোজ্যতেলের বাজার স্বাভাবিক করতে রাজধানী ঢাকা ও গাজীপুরে অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর

রাজধানী ঢাকা ও গাজীপুরে পৃথক অভিযান চালিয়ে সাড়ে ১২ হাজার লিটারের বেশি ভোজ্যতেল উদ্ধার করেছে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় ওই তেল সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে আগের দামে বিক্রি করা হয়।

বুধবার (১১ মে) এ দুই অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিদপ্তর। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল এবং মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় চার প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে অবৈধভাবে মজুত করা ১২ হাজার ৮২২ লিটার ভোজ্যতেল আগ্রহী ক্রেতাদের মধ্যে আগের দামে বিক্রি করা হয়।

অভিযানে গাজীপুর জেলার টঙ্গী বাজারের মেসার্স তাহের অ্যান্ড সন্স থেকে পুরোনো রেটের ছয় হাজার ৭৩২ লিটারের খোলা সয়াবিন ও পাম তেল এবং মেসার্স নোয়াখালী বাণিজ্য বিতান থেকে পুরোনো দরের পাঁচ হাজার ৯১৬ লিটার খোলা সয়াবিন ও পাম তেল উদ্ধার করা হয়।

এরপর উপস্থিত আগ্রহী ক্রেতাদের মধ্যে আগের দামে (১ লিটার ১৬০ টাকা, ২ লিটার ৩১৮ টাকা এবং ৫ লিটার ৭৬০ টাকা) এবং খোলা সয়াবিন ১৪৩ টাকা ও পাম তেল ১৩৩ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠান ২টিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

অপর এক অভিযানে ঢাকার আশকোনা হাজি ক্যাম্প সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটে পূর্বের দরের বোতলজাত সয়াবিন তেল যথাযথভাবে বিক্রি বা সরবরাহ না করে মজুত করা এবং নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্যে বিক্রির অপরাধে মেসার্স জননী এন্টারপ্রাইজকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অপরাধে টিটু অ্যান্ড ব্রাদার্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় সেখানে উপস্থিত আগ্রহী ক্রেতাদের মধ্যে আগের দামে বোতলজাত এই সয়াবিন তেল বিক্রি করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠান ২টি জনস্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

এনএইচ/কেএসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]ail.com