কোরবানিতে দেশের বাইরে থেকে একটি পশুও আসবে না: মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৬ পিএম, ১৭ মে ২০২২

কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত পশু মজুত আছে, তাই এ বছরও কোরবানিতে দেশের বাইরে থেকে একটি পশুও আসবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত নিয়ে কাজ করা সাংবাদিকদের সংগঠন ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্টস ফোরামের (এফএলজেএফ) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘আমাদের যে পরিমাণ পশু উৎপাদন হচ্ছে, তা চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত্ত থাকে। গত বছর কোরবানিতে উৎপাদিত গরুর ১০ ভাগের এক ভাগও বিক্রি হয়নি। এর সঙ্গে এ বছরের জন্য উপযুক্ত মিলিয়ে অনেক পশু খামারিদের হাতে রয়েছে। সাড়ে সাতশ খামারি এবং গৃহস্থের কাছে থাকা গবাদিপশু দিয়ে প্রয়োজন মেটানো সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘এ বছর করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। গত বছরের মতো খামারিদের গরু নিয়ে ফিরে যেতে হবে না। উপযুক্ত দামেই গরু বিক্রি করতে পারবেন। বর্ডার এলাকায় আরও কঠোর থাকতে বিভিন্ন সংস্থাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে দেশে বাইরের পশু না আসে। বাইরের পশু রোগ নিয়ে আসলে সেটি ছড়িয়ে যেতে পারে।’

rejaul-1

মন্ত্রী বলেন, ‘কোরবানির পশুর হাটে বরাবরের মতো ভেটেরিনারি চিকিৎসক থাকবেন। ক্রেতা ও খামারিরা চাইলে তাদের সেবা নিতে পারবেন। এছাড়াও হাটগুলোতে নানা ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পরিচালনা করা হবে মোবাইল কোর্ট। করোনা থেকে যাতে সমস্যা না হয়, সেজন্য অনলাইনে পশু বিক্রির ব্যবস্থা করেছিলাম। এবার সেই প্রক্রিয়াও থাকবে, হাট-বাজারেও বিক্রি হবে।’

গরুর মাংসের দাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা সাড়ে পাঁচশ টাকা দামে গরুর মাংস বিক্রি করেছি, তারা কেন পারবেন না। দু-তিন জন মধ্যস্বত্বভোগী মাঝে ঢুকে যায়। এ কারণে দামটা বেশি। আমরা তো লোকসানে বিক্রি করিনি, তাহলে তারা কেন পারবেন না।’

এসময় সংগঠনের সভাপতি মুন্না রায়হান, সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম সুমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আইএইচআর/এএএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]